বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী কক্সবাজার অঞ্চলের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিজিবির মানবিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার কক্সবাজার অঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চলমান অপারেশনাল কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি, প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা এবং কঠোর নজরদারি বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবিকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এদিকে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বিজিবির চলমান মানবিক কার্যক্রমেও অংশ নেন মহাপরিচালক। তিনি বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বিজিবির সহায়তা আরও বিস্তৃত করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
স্থানীয়রা বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিজিবি যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে, তা প্রশংসনীয়।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবিক সেবায়ও বিজিবির সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী কক্সবাজার অঞ্চলের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিজিবির মানবিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার কক্সবাজার অঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চলমান অপারেশনাল কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি, প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা এবং কঠোর নজরদারি বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবিকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এদিকে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বিজিবির চলমান মানবিক কার্যক্রমেও অংশ নেন মহাপরিচালক। তিনি বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বিজিবির সহায়তা আরও বিস্তৃত করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
স্থানীয়রা বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিজিবি যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে, তা প্রশংসনীয়।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবিক সেবায়ও বিজিবির সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন