দলের দাবি অনুযায়ী, যন্তর মন্তরের কাছে হাজারো সমর্থক বিক্ষোভে অংশ নেন। এ সময় তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে জানানো হয়, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ঘটনাস্থল থেকে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এক পোস্টে সিজেপি উল্লেখ করে, ঘটনাস্থল থেকে পর্যাপ্ত আপডেট দিতে না পারার কারণ হলো শহরের কিছু এলাকায় কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে।
আরেকটি পোস্টে দলটি জানায়, দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার একাধিক অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। একই সঙ্গে সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতেও সবাইকে তথ্য পৌঁছে দিতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
এর আগে দিল্লি পুলিশ জানায়, ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং নিউ দিল্লি জেলায় জারি করা নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধের অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
দলের দাবি অনুযায়ী, যন্তর মন্তরের কাছে হাজারো সমর্থক বিক্ষোভে অংশ নেন। এ সময় তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে জানানো হয়, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ঘটনাস্থল থেকে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এক পোস্টে সিজেপি উল্লেখ করে, ঘটনাস্থল থেকে পর্যাপ্ত আপডেট দিতে না পারার কারণ হলো শহরের কিছু এলাকায় কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে।
আরেকটি পোস্টে দলটি জানায়, দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার একাধিক অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। একই সঙ্গে সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতেও সবাইকে তথ্য পৌঁছে দিতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিট এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন করা হয়। একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
এর আগে দিল্লি পুলিশ জানায়, ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির জন্য কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং নিউ দিল্লি জেলায় জারি করা নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধের অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন