‘দ্য ব্রায়ান কিলমিড শো’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ভারত ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। তার ভাষ্য, প্রতিটি দেশ নিজেদের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। তেহরানের সঙ্গে যেমন বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রয়েছে, তেমনি ওয়াশিংটনও ইরান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের সতর্কবার্তা আবারও তুলে ধরে রুবিও বলেন, কোনো দেশেরই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে ইরানকে সহায়তা করা উচিত নয়। তার সতর্কতা, কোনো রাষ্ট্র যদি তেহরানকে অর্থ উপার্জন কিংবা সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করে দেয়, তাহলে সেই দেশের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দিতে বাধ্য হবে ওয়াশিংটন।
রুবিও বলেন, ‘কোনো দেশেরই উচিত নয় ইরানকে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সাহায্য করা। আর যদি কোনো দেশ তা করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করতে হবে।’
ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান উদ্দেশ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা বলেও জানান রুবিও। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন মূলত অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে তেহরানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। তবে প্রয়োজন হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে বলেও সতর্ক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা ছয় মাসে গড়ানোর পর ট্রাম্প মার্কিন বাহিনীর রাতের হামলার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং আরও হামলার হুমকি দেন। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে লেখেন, তাদের নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের ভিত্তিকে চূর্ণ করে দেবে।
সূত্র: এনডিটিভি

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘দ্য ব্রায়ান কিলমিড শো’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ভারত ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। তার ভাষ্য, প্রতিটি দেশ নিজেদের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। তেহরানের সঙ্গে যেমন বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রয়েছে, তেমনি ওয়াশিংটনও ইরান সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগের সতর্কবার্তা আবারও তুলে ধরে রুবিও বলেন, কোনো দেশেরই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে ইরানকে সহায়তা করা উচিত নয়। তার সতর্কতা, কোনো রাষ্ট্র যদি তেহরানকে অর্থ উপার্জন কিংবা সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করে দেয়, তাহলে সেই দেশের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দিতে বাধ্য হবে ওয়াশিংটন।
রুবিও বলেন, ‘কোনো দেশেরই উচিত নয় ইরানকে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সাহায্য করা। আর যদি কোনো দেশ তা করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করতে হবে।’
ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান উদ্দেশ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা বলেও জানান রুবিও। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন মূলত অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে তেহরানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। তবে প্রয়োজন হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে বলেও সতর্ক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা ছয় মাসে গড়ানোর পর ট্রাম্প মার্কিন বাহিনীর রাতের হামলার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং আরও হামলার হুমকি দেন। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে লেখেন, তাদের নতুন কৌশল ওয়াশিংটনের ভিত্তিকে চূর্ণ করে দেবে।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন