প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, জাপানের ডানপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করে আসছে। তবে সেই পথ কঠিন হওয়ায় বর্তমানে তারা ড্রোন ও চালকবিহীন অস্ত্র প্রযুক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ঘোষিত জাপানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতিমালায় চালকবিহীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এই পরিকল্পনার আওতায় ২০২৩ সাল থেকে পাঁচ বছরে ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়নে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ২৭৭ বিলিয়ন ইয়েন বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ইয়েন ব্যয় করা হচ্ছে ‘শীল্ড’ নামের বহুমুখী উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য।
চীনা সামরিক পত্রিকার দাবি, ‘শীল্ড’ প্রকল্পটি যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত ‘হেলস্কেপ’ কৌশলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাইওয়ান প্রণালীতে সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত বিপুলসংখ্যক ড্রোন মোতায়েন করাই এ পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে জাপান যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৩টি এমকিউ-৯বি সি-গার্ডিয়ান ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবোটিক ডগ এবং পানির ওপর ও নিচে চলতে সক্ষম চালকবিহীন জলযান সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ড্রোন ও সামরিক সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ওকিনাওয়া, কিউশু, ইশিগাকি ও ইয়োনাগুনি দ্বীপে মোতায়েনের কার্যক্রম চলছে। চীনের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে জাপান তাদের আত্মরক্ষামূলক নীতির সীমা অতিক্রম করে আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতা অর্জনের পথে এগোচ্ছে, যা এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার কারণ হতে পারে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, জাপানের ডানপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করে আসছে। তবে সেই পথ কঠিন হওয়ায় বর্তমানে তারা ড্রোন ও চালকবিহীন অস্ত্র প্রযুক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ঘোষিত জাপানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতিমালায় চালকবিহীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এই পরিকল্পনার আওতায় ২০২৩ সাল থেকে পাঁচ বছরে ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়নে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ২৭৭ বিলিয়ন ইয়েন বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ইয়েন ব্যয় করা হচ্ছে ‘শীল্ড’ নামের বহুমুখী উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য।
চীনা সামরিক পত্রিকার দাবি, ‘শীল্ড’ প্রকল্পটি যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত ‘হেলস্কেপ’ কৌশলের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাইওয়ান প্রণালীতে সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত বিপুলসংখ্যক ড্রোন মোতায়েন করাই এ পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে জাপান যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৩টি এমকিউ-৯বি সি-গার্ডিয়ান ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবোটিক ডগ এবং পানির ওপর ও নিচে চলতে সক্ষম চালকবিহীন জলযান সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ড্রোন ও সামরিক সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ওকিনাওয়া, কিউশু, ইশিগাকি ও ইয়োনাগুনি দ্বীপে মোতায়েনের কার্যক্রম চলছে। চীনের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে জাপান তাদের আত্মরক্ষামূলক নীতির সীমা অতিক্রম করে আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতা অর্জনের পথে এগোচ্ছে, যা এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার কারণ হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন