দিল্লির একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রথমবার সোহেল ও সীমার পরিচয় হয়। প্রথম দেখাতেই সীমার প্রতি আকৃষ্ট হন সোহেল। এরপর প্রায় চার মাস তাঁদের আর দেখা হয়নি। পরে একটি রেস্তোরাঁয় আবার দেখা হলে ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং সম্পর্ক গভীর হতে থাকে।
বিয়ের সিদ্ধান্তের কথা জানালে সীমার পরিবার আপত্তি তোলে। ধর্মীয় ভিন্নতা এবং সে সময় খান পরিবারকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্কের কারণে সীমার বাবা এই বিয়েতে সম্মতি দেননি।
পরিবারের সম্মতি না পেয়ে এক রাতে সীমাকে নিয়ে নিজের বাড়িতে যান সোহেল। তখন গভীর রাত। রাত প্রায় ৩টার দিকে সেলিম খানকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বিয়ে সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সীমাকে বাড়িতে রাখা যাবে না।
এরপর দুজন সিদ্ধান্ত নেন, সেদিন রাতেই বিয়ে করবেন। সোহেল তাঁর বন্ধুদের একজন মৌলবি খুঁজে আনতে বলেন। ভোররাতে কাউকে না পেয়ে বন্ধুরা শেষ পর্যন্ত একজন মৌলবিকে নিয়ে আসেন বলে জানা যায়।
অন্যদিকে, সীমার পরিবারের ইচ্ছা ছিল তাঁদের মেয়ের বিয়ে হিন্দু ধর্মীয় রীতিতেই হোক। পরে সীমা বাবার কাছে গেলে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাবা-মেয়ে দুজনই কান্নায় ভেঙে পড়েন। শেষ পর্যন্ত পরিবারের চাওয়াকে সম্মান জানিয়ে হিন্দু রীতিতে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
১৯৯৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সোহেল ও সীমা। দুই বছর পর তাঁদের ঘরে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। দীর্ঘদিন তাঁরা বলিউডের আলোচিত দম্পতিদের একজন ছিলেন।
তবে প্রায় ২৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। বর্তমানে দুজন আলাদা থাকলেও সম্প্রতি ‘অ্যালায়েন্স’ নামের একটি রিয়্যালিটি অনুষ্ঠানে একসঙ্গে অংশ নেন। সেখানে সোহেল বলেন, বিচ্ছেদের পরও একে অপরের খোঁজখবর রাখার বিষয়টি তাঁর কাছে ভালো লাগে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
দিল্লির একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রথমবার সোহেল ও সীমার পরিচয় হয়। প্রথম দেখাতেই সীমার প্রতি আকৃষ্ট হন সোহেল। এরপর প্রায় চার মাস তাঁদের আর দেখা হয়নি। পরে একটি রেস্তোরাঁয় আবার দেখা হলে ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং সম্পর্ক গভীর হতে থাকে।
বিয়ের সিদ্ধান্তের কথা জানালে সীমার পরিবার আপত্তি তোলে। ধর্মীয় ভিন্নতা এবং সে সময় খান পরিবারকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্কের কারণে সীমার বাবা এই বিয়েতে সম্মতি দেননি।
পরিবারের সম্মতি না পেয়ে এক রাতে সীমাকে নিয়ে নিজের বাড়িতে যান সোহেল। তখন গভীর রাত। রাত প্রায় ৩টার দিকে সেলিম খানকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বিয়ে সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সীমাকে বাড়িতে রাখা যাবে না।
এরপর দুজন সিদ্ধান্ত নেন, সেদিন রাতেই বিয়ে করবেন। সোহেল তাঁর বন্ধুদের একজন মৌলবি খুঁজে আনতে বলেন। ভোররাতে কাউকে না পেয়ে বন্ধুরা শেষ পর্যন্ত একজন মৌলবিকে নিয়ে আসেন বলে জানা যায়।
অন্যদিকে, সীমার পরিবারের ইচ্ছা ছিল তাঁদের মেয়ের বিয়ে হিন্দু ধর্মীয় রীতিতেই হোক। পরে সীমা বাবার কাছে গেলে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাবা-মেয়ে দুজনই কান্নায় ভেঙে পড়েন। শেষ পর্যন্ত পরিবারের চাওয়াকে সম্মান জানিয়ে হিন্দু রীতিতে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
১৯৯৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সোহেল ও সীমা। দুই বছর পর তাঁদের ঘরে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। দীর্ঘদিন তাঁরা বলিউডের আলোচিত দম্পতিদের একজন ছিলেন।
তবে প্রায় ২৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। বর্তমানে দুজন আলাদা থাকলেও সম্প্রতি ‘অ্যালায়েন্স’ নামের একটি রিয়্যালিটি অনুষ্ঠানে একসঙ্গে অংশ নেন। সেখানে সোহেল বলেন, বিচ্ছেদের পরও একে অপরের খোঁজখবর রাখার বিষয়টি তাঁর কাছে ভালো লাগে।

আপনার মতামত লিখুন