ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ হাজার ১৭.৬০ বর্গমিটার জমির ওপর নির্মিত এই সম্পত্তিতে একটি বাংলো ও একটি আউটহাউস রয়েছে। গত ১৪ জুলাই সম্পত্তিটির নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। বাংলোটির নির্মিত অংশের আয়তন প্রায় ১৯৩.১২ বর্গমিটার এবং আউটহাউসের আয়তন প্রায় ৩১.৫০ বর্গমিটার। এ সম্পত্তির স্ট্যাম্প ডিউটি বাবদ জন পরিশোধ করেছেন ৫ কোটি ৪ লাখ রুপি।
মুম্বাইয়ের সেন্ট মার্টিন রোডে অবস্থিত ফ্রিহোল্ড এই সম্পত্তি শহরের অন্যতম অভিজাত এলাকায় অবস্থিত। বান্দ্রায় স্বতন্ত্র বাংলোর সংখ্যা কমে যাওয়ায় এ ধরনের সম্পত্তির মূল্যও ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের বিরল ও বিলাসবহুল বাড়িকে ‘ট্রফি হোম’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এটি জন আব্রাহামের প্রথম বড় রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ নয়। এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তিনি মুম্বাইয়ের খার এলাকায় ৭০ কোটি ৮৩ লাখ রুপিতে আরেকটি বাংলো কিনেছিলেন। প্রায় ৭ হাজার ৭২২ বর্গফুট জমির ওপর নির্মিত ওই সম্পত্তির ভবনের আয়তন ছিল ৫ হাজার ৪১৬ বর্গফুট। সেই সময় স্ট্যাম্প ডিউটি হিসেবে তিনি ৪ কোটি ২৪ লাখ রুপি পরিশোধ করেন।
অন্যদিকে, অভিনয়জীবনে বর্তমানে বড় বাণিজ্যিক সাফল্যের অপেক্ষায় রয়েছেন জন আব্রাহাম। ‘পাঠান’ সিনেমায় খলনায়কের ভূমিকায় প্রশংসা পেলেও পরবর্তী চলচ্চিত্রগুলো প্রত্যাশিত বক্স অফিস সাফল্য পায়নি। ফলে ক্যারিয়ারে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন এই অভিনেতা।
জনের প্রত্যাবর্তনের অন্যতম আশা হিসেবে দেখা হচ্ছে ‘ফোর্স ৩’ সিনেমাকে। এতে আবারও এসিপি যশবর্ধন সিং চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি। ভাভ ধুলিয়ার পরিচালনায় নির্মিত এ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন হর্ষবর্ধন রানে ও তানিয়া মানিকতলা। আগামী বছরের ১৯ মার্চ সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে।
অর্থাৎ, বড় বাণিজ্যিক হিটের অপেক্ষায় থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পদ ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জন আব্রাহামের অবস্থান যে শক্তিশালী, ৮৪ কোটি রুপির নতুন বাংলো কেনাই তার সর্বশেষ উদাহরণ।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ হাজার ১৭.৬০ বর্গমিটার জমির ওপর নির্মিত এই সম্পত্তিতে একটি বাংলো ও একটি আউটহাউস রয়েছে। গত ১৪ জুলাই সম্পত্তিটির নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। বাংলোটির নির্মিত অংশের আয়তন প্রায় ১৯৩.১২ বর্গমিটার এবং আউটহাউসের আয়তন প্রায় ৩১.৫০ বর্গমিটার। এ সম্পত্তির স্ট্যাম্প ডিউটি বাবদ জন পরিশোধ করেছেন ৫ কোটি ৪ লাখ রুপি।
মুম্বাইয়ের সেন্ট মার্টিন রোডে অবস্থিত ফ্রিহোল্ড এই সম্পত্তি শহরের অন্যতম অভিজাত এলাকায় অবস্থিত। বান্দ্রায় স্বতন্ত্র বাংলোর সংখ্যা কমে যাওয়ায় এ ধরনের সম্পত্তির মূল্যও ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের বিরল ও বিলাসবহুল বাড়িকে ‘ট্রফি হোম’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এটি জন আব্রাহামের প্রথম বড় রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগ নয়। এর আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তিনি মুম্বাইয়ের খার এলাকায় ৭০ কোটি ৮৩ লাখ রুপিতে আরেকটি বাংলো কিনেছিলেন। প্রায় ৭ হাজার ৭২২ বর্গফুট জমির ওপর নির্মিত ওই সম্পত্তির ভবনের আয়তন ছিল ৫ হাজার ৪১৬ বর্গফুট। সেই সময় স্ট্যাম্প ডিউটি হিসেবে তিনি ৪ কোটি ২৪ লাখ রুপি পরিশোধ করেন।
অন্যদিকে, অভিনয়জীবনে বর্তমানে বড় বাণিজ্যিক সাফল্যের অপেক্ষায় রয়েছেন জন আব্রাহাম। ‘পাঠান’ সিনেমায় খলনায়কের ভূমিকায় প্রশংসা পেলেও পরবর্তী চলচ্চিত্রগুলো প্রত্যাশিত বক্স অফিস সাফল্য পায়নি। ফলে ক্যারিয়ারে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন এই অভিনেতা।
জনের প্রত্যাবর্তনের অন্যতম আশা হিসেবে দেখা হচ্ছে ‘ফোর্স ৩’ সিনেমাকে। এতে আবারও এসিপি যশবর্ধন সিং চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি। ভাভ ধুলিয়ার পরিচালনায় নির্মিত এ ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন হর্ষবর্ধন রানে ও তানিয়া মানিকতলা। আগামী বছরের ১৯ মার্চ সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে।
অর্থাৎ, বড় বাণিজ্যিক হিটের অপেক্ষায় থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পদ ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জন আব্রাহামের অবস্থান যে শক্তিশালী, ৮৪ কোটি রুপির নতুন বাংলো কেনাই তার সর্বশেষ উদাহরণ।

আপনার মতামত লিখুন