খুলনার পাইকগাছায় একটি ভাড়া বাসা থেকে আরএফএল কোম্পানির এক কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের সহকর্মী ও একই বাসার রুমমেটকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ ধারণা করছে, ঘটনার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।
নিহত ব্যক্তি হলেন আরএফএল কোম্পানির সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ (এসআর) বিশ্বজিৎ দেউড়ি (২৫)। তিনি ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। নিখোঁজ সহকর্মী অন্তর সরকার (২৩) আরএফএল-এর সহকারী টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং তার বাড়ি মাদারীপুরে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছা পৌরসভার হাসপাতাল রোড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় গত দুই মাস ধরে বিশ্বজিৎ ও অন্তর একসঙ্গে বসবাস করতেন। সোমবার রাতে তারা একসঙ্গে খাবার খাওয়ার পর নিজ কক্ষে অবস্থান করেন। পরদিন দুপুর পর্যন্ত তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।
পরে সহকর্মী নয়ন রায় ওই বাসায় গিয়ে দরজার সামনে রক্তের দাগ ও একটি রক্তমাখা ছুরি দেখতে পান। বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিশ্বজিৎ দেউড়ির মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে কোনো একসময় এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর নিহতের রুমমেট অন্তর সরকার তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে চলে গেছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (ডি সার্কেল) আমীর হামজা ও পাইকগাছা থানার ওসি (অপারেশন) জুলফিকার আলীসহ পুলিশের কর্মকর্তারা। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পাইকগাছা থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও নিখোঁজ অন্তর সরকারকে খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
খুলনার পাইকগাছায় একটি ভাড়া বাসা থেকে আরএফএল কোম্পানির এক কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের সহকর্মী ও একই বাসার রুমমেটকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ ধারণা করছে, ঘটনার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।
নিহত ব্যক্তি হলেন আরএফএল কোম্পানির সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ (এসআর) বিশ্বজিৎ দেউড়ি (২৫)। তিনি ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। নিখোঁজ সহকর্মী অন্তর সরকার (২৩) আরএফএল-এর সহকারী টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং তার বাড়ি মাদারীপুরে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছা পৌরসভার হাসপাতাল রোড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় গত দুই মাস ধরে বিশ্বজিৎ ও অন্তর একসঙ্গে বসবাস করতেন। সোমবার রাতে তারা একসঙ্গে খাবার খাওয়ার পর নিজ কক্ষে অবস্থান করেন। পরদিন দুপুর পর্যন্ত তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।
পরে সহকর্মী নয়ন রায় ওই বাসায় গিয়ে দরজার সামনে রক্তের দাগ ও একটি রক্তমাখা ছুরি দেখতে পান। বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিশ্বজিৎ দেউড়ির মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে কোনো একসময় এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর নিহতের রুমমেট অন্তর সরকার তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে চলে গেছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (ডি সার্কেল) আমীর হামজা ও পাইকগাছা থানার ওসি (অপারেশন) জুলফিকার আলীসহ পুলিশের কর্মকর্তারা। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পাইকগাছা থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও নিখোঁজ অন্তর সরকারকে খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন