সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের নিচন্তপুর গ্রামের লোকমান হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
ফাতেমা বেগম উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামের প্রয়াত আবুল কালামের মেয়ে। তার স্বামী পাশের ভবানীপুর গ্রামের নাছির উদ্দিন।
নিহত শিশুর খালা ও ফাতেমার বড় বোন ইয়াছমিন জানান, শনিবার সকালে সাত মাস বয়সী ছেলে ফারাবীকে সঙ্গে নিয়ে ফাতেমা নিশ্চিন্তপুরের তাদের বাড়িতে বেড়াতে যান। সোমবার ভোরে শিশুটি কান্নাকাটি ও চিৎকার করতে থাকে। একপর্যায়ে ফাতেমা তাকে জানান, তিনি শিশুটিকে বালিশ চাপা দিয়েছেন।
ইয়াছমিন বলেন, ফাতেমার কথা শুনে দ্রুত ঘরে গিয়ে শিশুটির শরীরের ওপর বালিশ দেখতে পান তিনি। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাজারে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফাতেমার মা খোদেজা বেগমের দাবি, তার মেয়ে প্রায় তিন বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। পাশাপাশি তার সঙ্গে জিন-ভূত রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি মো. শাহিনুর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে শিশুটির মাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা স্বীকার করেছেন, শিশু ফারাবী অতিরিক্ত কান্নাকাটি করায় রাগের বশে তিনি তাকে বালিশ চাপা দেন। এতে শিশুটির মৃত্যু হয়।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: ইত্তেফাক

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের নিচন্তপুর গ্রামের লোকমান হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
ফাতেমা বেগম উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামের প্রয়াত আবুল কালামের মেয়ে। তার স্বামী পাশের ভবানীপুর গ্রামের নাছির উদ্দিন।
নিহত শিশুর খালা ও ফাতেমার বড় বোন ইয়াছমিন জানান, শনিবার সকালে সাত মাস বয়সী ছেলে ফারাবীকে সঙ্গে নিয়ে ফাতেমা নিশ্চিন্তপুরের তাদের বাড়িতে বেড়াতে যান। সোমবার ভোরে শিশুটি কান্নাকাটি ও চিৎকার করতে থাকে। একপর্যায়ে ফাতেমা তাকে জানান, তিনি শিশুটিকে বালিশ চাপা দিয়েছেন।
ইয়াছমিন বলেন, ফাতেমার কথা শুনে দ্রুত ঘরে গিয়ে শিশুটির শরীরের ওপর বালিশ দেখতে পান তিনি। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাজারে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফাতেমার মা খোদেজা বেগমের দাবি, তার মেয়ে প্রায় তিন বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। পাশাপাশি তার সঙ্গে জিন-ভূত রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি মো. শাহিনুর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে শিশুটির মাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফাতেমা স্বীকার করেছেন, শিশু ফারাবী অতিরিক্ত কান্নাকাটি করায় রাগের বশে তিনি তাকে বালিশ চাপা দেন। এতে শিশুটির মৃত্যু হয়।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পুরো বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন