ঘটনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। ওই সময় ৫৫ বছর বয়সী এক নারী তার দুই পুত্রবধূকে নিয়ে বাসায় ছিলেন। পরিবারের পুরুষ সদস্যরা কাজের কারণে বাইরে থাকার সুযোগে পাঁচ ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেন এবং তল্লাশি শুরু করেন।
তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে পরিচয়পত্র দেখাতে বলা হয়। তখন তারা নিজেদের ‘সাংবাদিক’ পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, বাসায় ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ হওয়ার খবর পেয়ে তারা সেখানে এসেছেন।
একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিরা মুঠোফোনে তিন নারীর ভিডিও ধারণ করতে শুরু করেন। পরে ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ভুক্তভোগী নারী বাসাটি তার নিজের বলে জানালেও অভিযুক্তরা তাকে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বাসায় ভাঙচুর চালান। এ সময় নারীদের চিৎকার শুনে স্থানীয় প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে তাদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন অভিযুক্তরা।
পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পাঁচ ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সাখাওয়াত হোসেন (৪০) ও মো. মাইনউদ্দিনকে (৪৬) আটক করা হয়। অপর তিনজন পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ওয়াকিটকি ও মোবাইলফোন জব্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন সাখাওয়াত হোসেন (৪০) ও মো. মাইনউদ্দিন (৪৬)। মামলার অপর তিন পলাতক আসামি হলেন মো. জাহিদ (৩০), মো. মোস্তাফিজ (৩৬) এবং বাবুল (৩৬)।
এ ঘটনায় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) হালিশহর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদিন মণ্ডল কালের কণ্ঠকে বলেন, অভিযুক্তরা প্রথমে পুলিশ পরিচয়ে বাসায় প্রবেশ করেন। পরে নারী সদস্যরা তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে চাইলে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে ওয়াকিটকি ও মোবাইলফোন জব্দ করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘটনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। ওই সময় ৫৫ বছর বয়সী এক নারী তার দুই পুত্রবধূকে নিয়ে বাসায় ছিলেন। পরিবারের পুরুষ সদস্যরা কাজের কারণে বাইরে থাকার সুযোগে পাঁচ ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দেন এবং তল্লাশি শুরু করেন।
তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে পরিচয়পত্র দেখাতে বলা হয়। তখন তারা নিজেদের ‘সাংবাদিক’ পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, বাসায় ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ হওয়ার খবর পেয়ে তারা সেখানে এসেছেন।
একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিরা মুঠোফোনে তিন নারীর ভিডিও ধারণ করতে শুরু করেন। পরে ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ভুক্তভোগী নারী বাসাটি তার নিজের বলে জানালেও অভিযুক্তরা তাকে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বাসায় ভাঙচুর চালান। এ সময় নারীদের চিৎকার শুনে স্থানীয় প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে তাদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন অভিযুক্তরা।
পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পাঁচ ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সাখাওয়াত হোসেন (৪০) ও মো. মাইনউদ্দিনকে (৪৬) আটক করা হয়। অপর তিনজন পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ওয়াকিটকি ও মোবাইলফোন জব্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন সাখাওয়াত হোসেন (৪০) ও মো. মাইনউদ্দিন (৪৬)। মামলার অপর তিন পলাতক আসামি হলেন মো. জাহিদ (৩০), মো. মোস্তাফিজ (৩৬) এবং বাবুল (৩৬)।
এ ঘটনায় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) হালিশহর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদিন মণ্ডল কালের কণ্ঠকে বলেন, অভিযুক্তরা প্রথমে পুলিশ পরিচয়ে বাসায় প্রবেশ করেন। পরে নারী সদস্যরা তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে চাইলে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে ওয়াকিটকি ও মোবাইলফোন জব্দ করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন