মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার বিকেলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এ সময় ধস্তাধস্তির ঘটনায় রাহুল গান্ধীর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়। পরে তাকে বাসে করে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন নেতাকে মন্দির মার্গ থানায় নেওয়া হলে খবর পেয়ে সেখানে যান কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। পরে রাত ৯টার দিকে প্রিয়াঙ্কাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়।
মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একাধিক পোস্টে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, সরকার সংসদে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছে এবং দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছে। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান কংগ্রেসের সমালোচনা করে বলেন, সরকার সংসদে এ বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত থাকলেও কংগ্রেস গণতান্ত্রিক বিতর্কের পরিবর্তে রাজনৈতিক নাটক করছে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের বদলে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়াই বিরোধীদের উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, সরকার নিট পরীক্ষা ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করতে আগ্রহী। তার ভাষায়, শিক্ষার্থীরা কোনো রাজনৈতিক প্রচারণার হাতিয়ার নয়; তারা কার্যকর সংস্কার, জবাবদিহি এবং উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যাশা করে।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের অভিযানে আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজ নেন। পরে মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বিক্ষোভস্থলে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি জানান, সরকার সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে রাজি থাকলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি মেনে নেয়নি। এরপরই পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) গত দুই মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবার সংসদ ভবন অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে শতাধিক শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার বিকেলে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এ সময় ধস্তাধস্তির ঘটনায় রাহুল গান্ধীর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়। পরে তাকে বাসে করে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন নেতাকে মন্দির মার্গ থানায় নেওয়া হলে খবর পেয়ে সেখানে যান কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। পরে রাত ৯টার দিকে প্রিয়াঙ্কাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়।
মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একাধিক পোস্টে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, সরকার সংসদে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছে এবং দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছে। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান কংগ্রেসের সমালোচনা করে বলেন, সরকার সংসদে এ বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত থাকলেও কংগ্রেস গণতান্ত্রিক বিতর্কের পরিবর্তে রাজনৈতিক নাটক করছে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের বদলে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়াই বিরোধীদের উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, সরকার নিট পরীক্ষা ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা করতে আগ্রহী। তার ভাষায়, শিক্ষার্থীরা কোনো রাজনৈতিক প্রচারণার হাতিয়ার নয়; তারা কার্যকর সংস্কার, জবাবদিহি এবং উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যাশা করে।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের অভিযানে আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজ নেন। পরে মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বিক্ষোভস্থলে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি জানান, সরকার সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে রাজি থাকলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি মেনে নেয়নি। এরপরই পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) গত দুই মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবার সংসদ ভবন অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে শতাধিক শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।

আপনার মতামত লিখুন