আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান ‘ককরোচ’ আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পদত্যাগপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো ঘোষণা আসেনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট পরিস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে পরিস্থিতি শান্ত হবে এবং কোনো রাষ্ট্রবিরোধী গোষ্ঠী চলমান পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারবে না।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছে ‘ককরোচ’ আন্দোলনের নেতৃত্ব। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, পদত্যাগের পরও তাদের আন্দোলন শেষ হয়নি। তারা আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলন দমনে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ভারতের চলমান শিক্ষা ও রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরকার আন্দোলনের বাকি দাবিগুলো কীভাবে মোকাবিলা করবে, সেদিকেই এখন নজর সবার।
সূত্র: ডয়চে ভেলে (DW)

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চলমান ‘ককরোচ’ আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পদত্যাগপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো ঘোষণা আসেনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট পরিস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে পরিস্থিতি শান্ত হবে এবং কোনো রাষ্ট্রবিরোধী গোষ্ঠী চলমান পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারবে না।
এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছে ‘ককরোচ’ আন্দোলনের নেতৃত্ব। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, পদত্যাগের পরও তাদের আন্দোলন শেষ হয়নি। তারা আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলন দমনে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ভারতের চলমান শিক্ষা ও রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরকার আন্দোলনের বাকি দাবিগুলো কীভাবে মোকাবিলা করবে, সেদিকেই এখন নজর সবার।
সূত্র: ডয়চে ভেলে (DW)

আপনার মতামত লিখুন