ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ‘খ’ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইমরান শেখের অফিস কক্ষে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে প্রায় ২ মিনিট ২২ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের অফিস কক্ষে চেয়ারে বসে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে গুনে গুনে টাকা নিচ্ছেন ইমরান শেখ।
ভিডিওতে আরও শোনা যায়, তিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রসঙ্গে বলেন, “উনিও ৪০তম বিসিএস, আমিও ৪০তম বিসিএস। উনার কপাল ভালো, উনি ক্যাডার হয়েছেন; আর আমি নন-ক্যাডার হয়েছি।”
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এটিকে ঘুষ গ্রহণের ঘটনা বলে দাবি করেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে ইমরান শেখ বলেন, “এটি ঘুষের টাকা নয়, ধারের টাকা। অনেক মানুষ আমার কাছ থেকে টাকা ধার নেয়, পরে তা ফেরত দেয়। ধারের টাকা ফেরত নেওয়ার সময় কেউ ভিডিওটি ধারণ করেছে।”
তবে তিনি কার কাছ থেকে ওই টাকা নিয়েছেন বা যিনি টাকা ফেরত দিয়েছেন, তার পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।
এদিকে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. রকিবুল হাসান বলেন, “এর আগে সরেজমিনে অফিসে গিয়ে তাকে না পেয়ে শোকজ করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা টাকা গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে স্থানীয়দের।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ‘খ’ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইমরান শেখের অফিস কক্ষে বসে এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে প্রায় ২ মিনিট ২২ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের অফিস কক্ষে চেয়ারে বসে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে গুনে গুনে টাকা নিচ্ছেন ইমরান শেখ।
ভিডিওতে আরও শোনা যায়, তিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রসঙ্গে বলেন, “উনিও ৪০তম বিসিএস, আমিও ৪০তম বিসিএস। উনার কপাল ভালো, উনি ক্যাডার হয়েছেন; আর আমি নন-ক্যাডার হয়েছি।”
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এটিকে ঘুষ গ্রহণের ঘটনা বলে দাবি করেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে ইমরান শেখ বলেন, “এটি ঘুষের টাকা নয়, ধারের টাকা। অনেক মানুষ আমার কাছ থেকে টাকা ধার নেয়, পরে তা ফেরত দেয়। ধারের টাকা ফেরত নেওয়ার সময় কেউ ভিডিওটি ধারণ করেছে।”
তবে তিনি কার কাছ থেকে ওই টাকা নিয়েছেন বা যিনি টাকা ফেরত দিয়েছেন, তার পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।
এদিকে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. রকিবুল হাসান বলেন, “এর আগে সরেজমিনে অফিসে গিয়ে তাকে না পেয়ে শোকজ করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা টাকা গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে স্থানীয়দের।

আপনার মতামত লিখুন