বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চন্ডিহারা থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত মহাসড়কসংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাই তেল কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন যানবাহন থেকে অসাধু চালক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে তেল চুরি করে এসব পয়েন্টে বিক্রি করা হয়। পরে সেই তেল কম দামে বিভিন্ন ক্রেতার কাছে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ কেনাবেচার পয়েন্ট অনেকটাই প্রকাশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, দিনের পাশাপাশি রাতেও এই বাণিজ্য চলে এবং এলাকাবাসীর কাছে বিষয়টি নতুন নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে একদিকে যেমন বৈধ ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবহন খাতেও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর আরও দাবি, এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
প্রশ্ন উঠছে, যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এতদিন ধরে প্রকাশ্যে এমন কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না কেন? নিয়মিত অভিযান, নজরদারি এবং আইনগত পদক্ষেপের মাধ্যমে এই ধরনের অবৈধ ব্যবসা বন্ধে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি চুরি ও চোরাই তেলের বাণিজ্য শুধু অর্থনৈতিক অপরাধই নয়, এটি জননিরাপত্তার জন্যও বড় ঝুঁকি। যথাযথ সংরক্ষণ ছাড়া জ্বালানি মজুত ও বিক্রির ফলে অগ্নিকাণ্ড কিংবা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থেকে যায়।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক। কেউ যদি আইনের ঊর্ধ্বে থেকে অবৈধভাবে চোরাই তেলের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।
স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহিতা এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগের মাধ্যমেই এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি সম্ভ

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চন্ডিহারা থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত মহাসড়কসংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাই তেল কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন কোম্পানি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন যানবাহন থেকে অসাধু চালক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে তেল চুরি করে এসব পয়েন্টে বিক্রি করা হয়। পরে সেই তেল কম দামে বিভিন্ন ক্রেতার কাছে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ কেনাবেচার পয়েন্ট অনেকটাই প্রকাশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, দিনের পাশাপাশি রাতেও এই বাণিজ্য চলে এবং এলাকাবাসীর কাছে বিষয়টি নতুন নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে একদিকে যেমন বৈধ ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবহন খাতেও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
এলাকাবাসীর আরও দাবি, এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
প্রশ্ন উঠছে, যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এতদিন ধরে প্রকাশ্যে এমন কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না কেন? নিয়মিত অভিযান, নজরদারি এবং আইনগত পদক্ষেপের মাধ্যমে এই ধরনের অবৈধ ব্যবসা বন্ধে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি চুরি ও চোরাই তেলের বাণিজ্য শুধু অর্থনৈতিক অপরাধই নয়, এটি জননিরাপত্তার জন্যও বড় ঝুঁকি। যথাযথ সংরক্ষণ ছাড়া জ্বালানি মজুত ও বিক্রির ফলে অগ্নিকাণ্ড কিংবা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থেকে যায়।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক। কেউ যদি আইনের ঊর্ধ্বে থেকে অবৈধভাবে চোরাই তেলের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।
স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহিতা এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগের মাধ্যমেই এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি সম্ভ

আপনার মতামত লিখুন