গত এক দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটার পর নওগাঁর পোরশা উপজেলায় শিক্ষাঙ্গন থেকে চাটুকার ও দালাল শিক্ষকদের বর্জনের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে লোভী ও সুবিধাবাদী একশ্রেণীর শিক্ষকের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও জাতীয়তাবাদী দর্শনে বিশ্বাসী শিক্ষক সমাজ।
শিক্ষক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারগুলোর আমলে বিশেষ করে দিনের ভোট রাতে হওয়ার মতো বিতর্কিত নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া এমপি-মন্ত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করা এবং সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে একশ্রেণীর শিক্ষক অন্ধ অনুগত্য দেখিয়েছেন। চাকরি টিকিয়ে রাখা কিংবা ঘর-সংসারের অজুহাত দিলেও মূলত ব্যক্তিগত সুবিধা হাসিলের জন্যই তারা স্বৈরাচারের দালালি করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
অন্যদিকে, চরম প্রতিকূল পরিবেশেও যেসব শিক্ষক নীতি ও আদর্শে অটল ছিলেন, তারা কোনো আপস করেননি। দলীয় পরিচয়ের কারণে অনেক জাতীয়তাবাদী শিক্ষককে চাকরিচ্যুত হতে হয়েছে, মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করতে হয়েছে এবং নানাভাবে সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।
উপজেলা জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ জানান, শিক্ষকের মূল পরিচয় হওয়া উচিত নীতি ও আদর্শ। যারা সুযোগ বুঝে দল বদলায় কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থে স্বৈরাচারের তোষামোদ করে, তারা কখনো প্রকৃত শিক্ষক হতে পারে না। পোরশা উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে চাটুকারমুক্ত করে প্রকৃত আদর্শবান ও জাতীয়তাবাদী চেতনার শিক্ষকদের সম্মান নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
গত এক দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটার পর নওগাঁর পোরশা উপজেলায় শিক্ষাঙ্গন থেকে চাটুকার ও দালাল শিক্ষকদের বর্জনের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে লোভী ও সুবিধাবাদী একশ্রেণীর শিক্ষকের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও জাতীয়তাবাদী দর্শনে বিশ্বাসী শিক্ষক সমাজ।
শিক্ষক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারগুলোর আমলে বিশেষ করে দিনের ভোট রাতে হওয়ার মতো বিতর্কিত নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া এমপি-মন্ত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করা এবং সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে একশ্রেণীর শিক্ষক অন্ধ অনুগত্য দেখিয়েছেন। চাকরি টিকিয়ে রাখা কিংবা ঘর-সংসারের অজুহাত দিলেও মূলত ব্যক্তিগত সুবিধা হাসিলের জন্যই তারা স্বৈরাচারের দালালি করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
অন্যদিকে, চরম প্রতিকূল পরিবেশেও যেসব শিক্ষক নীতি ও আদর্শে অটল ছিলেন, তারা কোনো আপস করেননি। দলীয় পরিচয়ের কারণে অনেক জাতীয়তাবাদী শিক্ষককে চাকরিচ্যুত হতে হয়েছে, মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করতে হয়েছে এবং নানাভাবে সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।
উপজেলা জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ জানান, শিক্ষকের মূল পরিচয় হওয়া উচিত নীতি ও আদর্শ। যারা সুযোগ বুঝে দল বদলায় কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থে স্বৈরাচারের তোষামোদ করে, তারা কখনো প্রকৃত শিক্ষক হতে পারে না। পোরশা উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে চাটুকারমুক্ত করে প্রকৃত আদর্শবান ও জাতীয়তাবাদী চেতনার শিক্ষকদের সম্মান নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন