ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের বিরুদ্ধে "জিরো টলারেন্স" নীতি ঘোষণা করেছেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য *রফিকুল ইসলাম জামাল।
বুধবার রাজাপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।
এমপি রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, রাজাপুরে কোনো স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা সরকারি অফিসে নিয়োগের নামে এক টাকাও লেনদেন চলবে না। কেউ যদি নিয়োগ বাণিজ্য করে ধরা পড়ে, তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে। দলীয় পরিচয় দেখে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে। গরিব-মেধাবী ছেলে-মেয়েরা যেন টাকার অভাবে চাকরি থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করাই আমার দায়িত্ব।
প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ
সভায় উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের উদ্দেশ্যে এমপি বলেন:
1. প্রতিটি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে টানাতে হবে
2. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ দিতে হবে
3. নিয়োগ কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা যাবে না
4. নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পেলে সরাসরি তার অফিসে জানাতে হবে
এমপির এই ঘোষণায় রাজাপুরের সাধারণ মানুষ ও শিক্ষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বাণিজ্যের কারণে যোগ্যরা বঞ্চিত হচ্ছিল। এমপির এই কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে স্বচ্ছতা ফিরবে বলে তারা আশা করছেন।
সভায় উপজেলা বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের নিয়োগে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের বিরুদ্ধে "জিরো টলারেন্স" নীতি ঘোষণা করেছেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য *রফিকুল ইসলাম জামাল।
বুধবার রাজাপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন।
এমপি রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, রাজাপুরে কোনো স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা সরকারি অফিসে নিয়োগের নামে এক টাকাও লেনদেন চলবে না। কেউ যদি নিয়োগ বাণিজ্য করে ধরা পড়ে, তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে। দলীয় পরিচয় দেখে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে। গরিব-মেধাবী ছেলে-মেয়েরা যেন টাকার অভাবে চাকরি থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করাই আমার দায়িত্ব।
প্রশাসন ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ
সভায় উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের উদ্দেশ্যে এমপি বলেন:
1. প্রতিটি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে টানাতে হবে
2. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ দিতে হবে
3. নিয়োগ কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা যাবে না
4. নিয়োগ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পেলে সরাসরি তার অফিসে জানাতে হবে
এমপির এই ঘোষণায় রাজাপুরের সাধারণ মানুষ ও শিক্ষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বাণিজ্যের কারণে যোগ্যরা বঞ্চিত হচ্ছিল। এমপির এই কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে স্বচ্ছতা ফিরবে বলে তারা আশা করছেন।
সভায় উপজেলা বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন