ঢাকা সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরও পরিদর্শন করবেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্জিও গরের এ সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে বাংলাদেশের সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার এবং ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে জানতে ও তা মূল্যায়ন করতে আগ্রহী হতে পারে ওয়াশিংটন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর জুনে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, একই মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মস্কো সফর এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের পর বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্ব পেয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ঢাকার পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনা সম্পর্কে ধারণা নিতে চায়।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের পাশাপাশি সার্জিও গর ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক, বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে কোনো বার্তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে। এছাড়া গত কয়েক মাসে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা, এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এবং মস্কো ও আঙ্কারার সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা সম্পর্কেও জানতে আগ্রহী হতে পারে ওয়াশিংটন।
গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর এবং মে মাসে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ বাংলাদেশ সফর করেন।
সম্প্রতি ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাক্ষাৎ হয়। ওই বৈঠকে সার্জিও গরও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে উভয় পক্ষ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য, সার্জিও গর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। ভারতের যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি হোয়াইট হাউসের প্রেসিডেনশিয়াল পার্সোনেল অফিসের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সূত্র: দেশ রূপান্তর।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
ঢাকা সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরও পরিদর্শন করবেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্জিও গরের এ সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে বাংলাদেশের সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার এবং ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক কূটনৈতিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে জানতে ও তা মূল্যায়ন করতে আগ্রহী হতে পারে ওয়াশিংটন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর জুনে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, একই মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মস্কো সফর এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের পর বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে গুরুত্ব পেয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ঢাকার পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনা সম্পর্কে ধারণা নিতে চায়।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের পাশাপাশি সার্জিও গর ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক, বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদি সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে কোনো বার্তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে। এছাড়া গত কয়েক মাসে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা, এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এবং মস্কো ও আঙ্কারার সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা সম্পর্কেও জানতে আগ্রহী হতে পারে ওয়াশিংটন।
গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর এবং মে মাসে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ বাংলাদেশ সফর করেন।
সম্প্রতি ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাক্ষাৎ হয়। ওই বৈঠকে সার্জিও গরও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে উভয় পক্ষ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য, সার্জিও গর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। ভারতের যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি হোয়াইট হাউসের প্রেসিডেনশিয়াল পার্সোনেল অফিসের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সূত্র: দেশ রূপান্তর।

আপনার মতামত লিখুন