লাহোরের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ আলী ইজাজ নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রেসকিউ ১১২২-এর সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকাজ দ্রুত শেষ করতে ভারী যন্ত্রপাতিও মোতায়েন করা হয়েছে। ডিসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা সবাইকে নিরাপদে উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে, ছাদ ধসের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর এক মাস আগে লাহোরের কাহনা এলাকায় একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনার পর কোচিং সেন্টারের মালিক ও ভবনের ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।
তদন্তে জানা যায়, জরাজীর্ণ ভবনের ছাদের ওপর অতিরিক্ত মাটি ফেলার ফলে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, যা ছাদ ধসের কারণ ছিল।
এরও আগে চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে ডেরা গাজী খান জেলার একটি বেসরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে চার শিশু নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়। তদন্তে উঠে আসে, ভবন সম্প্রসারণের কাজ চলাকালে ছাদের ওপর বালু ও ইট রাখা হয়েছিল। অতিরিক্ত ভার বহন করতে না পেরে ছাদটি ধসে পড়ে।
সূত্র: যুগান্তর।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
লাহোরের ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ আলী ইজাজ নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রেসকিউ ১১২২-এর সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকাজ দ্রুত শেষ করতে ভারী যন্ত্রপাতিও মোতায়েন করা হয়েছে। ডিসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা সবাইকে নিরাপদে উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে, ছাদ ধসের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর এক মাস আগে লাহোরের কাহনা এলাকায় একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনার পর কোচিং সেন্টারের মালিক ও ভবনের ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।
তদন্তে জানা যায়, জরাজীর্ণ ভবনের ছাদের ওপর অতিরিক্ত মাটি ফেলার ফলে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, যা ছাদ ধসের কারণ ছিল।
এরও আগে চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে ডেরা গাজী খান জেলার একটি বেসরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষের ছাদ ধসে চার শিশু নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়। তদন্তে উঠে আসে, ভবন সম্প্রসারণের কাজ চলাকালে ছাদের ওপর বালু ও ইট রাখা হয়েছিল। অতিরিক্ত ভার বহন করতে না পেরে ছাদটি ধসে পড়ে।
সূত্র: যুগান্তর।

আপনার মতামত লিখুন