আহত ফারুক হোসেন প্যাদা দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।
স্থানীয়দের দাবি, এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগের জেরে কয়েকজন তাকে আটকে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
তবে ফারুক হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির কয়েকজন পূর্বশত্রুতার জেরে তার ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলার সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে তার দাবি, ব্যক্তিগত বিরোধকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে তার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাতেন। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও তিনি তার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমিন রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: দেশ রূপান্তর।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
আহত ফারুক হোসেন প্যাদা দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।
স্থানীয়দের দাবি, এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগের জেরে কয়েকজন তাকে আটকে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
তবে ফারুক হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির কয়েকজন পূর্বশত্রুতার জেরে তার ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলার সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে তার দাবি, ব্যক্তিগত বিরোধকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে তার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাতেন। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও তিনি তার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমিন রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কয়েকবার কল করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: দেশ রূপান্তর।

আপনার মতামত লিখুন