বুধবার (২৯ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। চিঠির সঙ্গে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ সংযুক্ত করা হয়েছে।
মাউশি জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নির্ধারিত নির্দেশিকা রয়েছে। এই নির্দেশিকা লঙ্ঘন করলে তা আচরণবিধি ভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এ কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর এবং সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের পরিমার্জিত নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য পুনরায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: দেশ রূপান্তর।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
বুধবার (২৯ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। চিঠির সঙ্গে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ সংযুক্ত করা হয়েছে।
মাউশি জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নির্ধারিত নির্দেশিকা রয়েছে। এই নির্দেশিকা লঙ্ঘন করলে তা আচরণবিধি ভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এ কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তর এবং সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের পরিমার্জিত নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য পুনরায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: দেশ রূপান্তর।

আপনার মতামত লিখুন