সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী বসন্তপুর বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন কালিন্দী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া অপ্রকৃতস্থ হৃদরোগী বৃদ্ধ পিয়ার আলী গাজীর (৮৪) মরদেহ অবশেষে উদ্ধার হয়েছে। পরিবার, গ্রামবাসীর উদ্বেগ উৎকণ্ঠার ৩৬ ঘন্টা পর শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর খারহাট এলাকায় এক জেলে মরদেহ ভাসতে দেখে তার ছেলেকে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত পিয়ার আলী গাজী উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মৃত ছফেদ আলী গাজীর পুত্র। নিহতের পুত্র আব্দুস সবুর এ প্রতিনিধিকে জানান আমার আব্বা স্ট্রোকের রোগী ও অপ্রকৃতস্থ হওয়ায় পরিবারের চোখ ফাঁকি দিয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা আনুমানিক ২ টার দিকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে জাল নিয়ে কালিন্দী নদীতে যান। নির্ধারিত সময় পার হলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে নদীর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি শুরু করি। পরে আমাদের সঙ্গে গ্রামবাসী ও যোগ দিয়ে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নদীতে তল্লাশি চালিয়ে বাবার কোন সন্ধান মেলেনি। শুক্রবার ভোর হতে ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ, বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ছাড়াও খুলনার একটি বিশেষ ডুবুরী দল সহ শত শত গ্রামবাসী দিনভর তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়ে কোন খোঁজ না মেলায় হতাশ হয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে যান। অবশেষে শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর ভাড়া শিমলা ইউনিয়নের খারহাট এলাকায় মাছ ধরার সময় এক জেলের নজরে একটি মরদহ ভেসে ওঠে। বিষয়টি তিনি সাথে সাথে আমাকে জানালে আমি স্থানীয়দের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাবার মরদেহ শনাক্ত ও উদ্ধার করি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয়জনকে ফিরে পেলেও তা ছিল নিথর দেহ। তার মৃত্যুর খবরে বসন্তপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কালিগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম হাওলাদার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী বসন্তপুর বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন কালিন্দী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া অপ্রকৃতস্থ হৃদরোগী বৃদ্ধ পিয়ার আলী গাজীর (৮৪) মরদেহ অবশেষে উদ্ধার হয়েছে। পরিবার, গ্রামবাসীর উদ্বেগ উৎকণ্ঠার ৩৬ ঘন্টা পর শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর খারহাট এলাকায় এক জেলে মরদেহ ভাসতে দেখে তার ছেলেকে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত পিয়ার আলী গাজী উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মৃত ছফেদ আলী গাজীর পুত্র। নিহতের পুত্র আব্দুস সবুর এ প্রতিনিধিকে জানান আমার আব্বা স্ট্রোকের রোগী ও অপ্রকৃতস্থ হওয়ায় পরিবারের চোখ ফাঁকি দিয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা আনুমানিক ২ টার দিকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে জাল নিয়ে কালিন্দী নদীতে যান। নির্ধারিত সময় পার হলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে নদীর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি শুরু করি। পরে আমাদের সঙ্গে গ্রামবাসী ও যোগ দিয়ে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নদীতে তল্লাশি চালিয়ে বাবার কোন সন্ধান মেলেনি। শুক্রবার ভোর হতে ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ, বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ছাড়াও খুলনার একটি বিশেষ ডুবুরী দল সহ শত শত গ্রামবাসী দিনভর তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়ে কোন খোঁজ না মেলায় হতাশ হয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে যান। অবশেষে শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে সীমান্তবর্তী ইছামতি নদীর ভাড়া শিমলা ইউনিয়নের খারহাট এলাকায় মাছ ধরার সময় এক জেলের নজরে একটি মরদহ ভেসে ওঠে। বিষয়টি তিনি সাথে সাথে আমাকে জানালে আমি স্থানীয়দের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাবার মরদেহ শনাক্ত ও উদ্ধার করি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয়জনকে ফিরে পেলেও তা ছিল নিথর দেহ। তার মৃত্যুর খবরে বসন্তপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কালিগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম হাওলাদার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন