সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের তোফাজ্জল বিদ্যাপীঠের এক শিক্ষিকা ও তার স্বামীকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পরও আসামিদের পক্ষ থেকে হুমকি-ধমকি অব্যাহত থাকায় আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
যোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
গত ৫ সেপ্টেম্বর এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষিকা খাদিজা পারভীন ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে গুরুতর অবস্থায় শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকা খাদিজা পারভীনের অভিযোগ, প্রায় এক মাস আগে বিদ্যালয়ে পাঠদানকালে স্থানীয় ফয়সাল আহমেদের কন্যাকে শাসন করেন তিনি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি আব্দুস সবুরকে জানান। শিক্ষিকার ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুস সবুরের বাড়ি থেকে ফেরার পথে তাকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তার মাথায় ফেটে যাওয়ার মতো জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। স্ত্রীকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে ফকির আহমেদ গাজীর ছেলে ফয়সাল আহমেদ, তার স্ত্রী তাসলিমা খাতুন ও ভায়রা-পুত্র আলামিন গাজী তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকেও মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় খাদিজা পারভীন বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলা প্রত্যাহারের জন্য তাকে ও তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন খাদিজা পারভীন। এমনকি আসামিরা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে বাড়িতে ফিরে তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মামলার অপর দুই আসামি তাসলিমা খাতুন ও আলামিন গাজী সাতক্ষীরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন এবং তাসলিমা খাতুন ও আলামিন গাজীকে জামিন দেন বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
এদিকে আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর আলামিন গাজী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন—এমন খবর পাওয়ার পর থেকে আরও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বলে জানান শিক্ষিকা ও তার স্বামী।
খাদিজা পারভীনের অভিযোগ, ফয়সাল আহমেদ এলাকায় উচ্ছৃঙ্খল ও দাঙ্গাবাজ হিসেবে পরিচিত। একইভাবে আলামিন গাজীর বিরুদ্ধেও উচ্ছৃঙ্খল আচরণের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাদের হুমকির কারণে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বলে জানান ওই শিক্ষিকা।
ভুক্তভোগী পরিবারটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আইনগত সুরক্ষা এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের তোফাজ্জল বিদ্যাপীঠের এক শিক্ষিকা ও তার স্বামীকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পরও আসামিদের পক্ষ থেকে হুমকি-ধমকি অব্যাহত থাকায় আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
যোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
গত ৫ সেপ্টেম্বর এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষিকা খাদিজা পারভীন ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকে গুরুতর অবস্থায় শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষিকা খাদিজা পারভীনের অভিযোগ, প্রায় এক মাস আগে বিদ্যালয়ে পাঠদানকালে স্থানীয় ফয়সাল আহমেদের কন্যাকে শাসন করেন তিনি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি আব্দুস সবুরকে জানান। শিক্ষিকার ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুস সবুরের বাড়ি থেকে ফেরার পথে তাকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তার মাথায় ফেটে যাওয়ার মতো জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। স্ত্রীকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে ফকির আহমেদ গাজীর ছেলে ফয়সাল আহমেদ, তার স্ত্রী তাসলিমা খাতুন ও ভায়রা-পুত্র আলামিন গাজী তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকেও মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় খাদিজা পারভীন বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলা প্রত্যাহারের জন্য তাকে ও তার স্বামীকে বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন খাদিজা পারভীন। এমনকি আসামিরা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে বাড়িতে ফিরে তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মামলার অপর দুই আসামি তাসলিমা খাতুন ও আলামিন গাজী সাতক্ষীরা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন এবং তাসলিমা খাতুন ও আলামিন গাজীকে জামিন দেন বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
এদিকে আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর আলামিন গাজী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছেন—এমন খবর পাওয়ার পর থেকে আরও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বলে জানান শিক্ষিকা ও তার স্বামী।
খাদিজা পারভীনের অভিযোগ, ফয়সাল আহমেদ এলাকায় উচ্ছৃঙ্খল ও দাঙ্গাবাজ হিসেবে পরিচিত। একইভাবে আলামিন গাজীর বিরুদ্ধেও উচ্ছৃঙ্খল আচরণের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাদের হুমকির কারণে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বলে জানান ওই শিক্ষিকা।
ভুক্তভোগী পরিবারটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, আইনগত সুরক্ষা এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন