রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে মোটরসাইকেলে ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্ট (স্থানীয়ভাবে 'বাউলি' মারা) করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালিবাহী ট্রাকের নিচে পড়ে তিন কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে কেশরহাট ডিগ্রি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন কিশোর একটি মোটরসাইকেলে চড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে স্টান্ট করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নওগাঁ থেকে রাজশাহীগামী দ্রুতগতির একটি ১০ চাকার বালিবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকের নিচে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। গুরুতর আহত অপর কিশোরকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন কেশরহাট পৌরসভার সাঁকোয়া গ্রামের অফিজ উদ্দিনের দুই ছেলে কাইয়ুম ইসলাম রাতুল (১৮) ও স্বাধীন (২০) এবং সিংহমারা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে রিমন (১৯)।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মোহনপুর থানা পুলিশের এসআই ইয়ামিন আলী, এসআই আব্দুর রহিম, এসআই শিমুলসহ পুলিশের একটি দল এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। পরে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আক্তার বলেন, “খবর পেয়ে মোহনপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন। তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
এদিকে, হৃদয়বিদারক এ দুর্ঘটনায় কেশরহাট ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবারের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। স্থানীয়রা মোটরসাইকেলে ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্ট বন্ধে কঠোর নজরদারি এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে মোটরসাইকেলে ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্ট (স্থানীয়ভাবে 'বাউলি' মারা) করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালিবাহী ট্রাকের নিচে পড়ে তিন কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে কেশরহাট ডিগ্রি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন কিশোর একটি মোটরসাইকেলে চড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে স্টান্ট করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নওগাঁ থেকে রাজশাহীগামী দ্রুতগতির একটি ১০ চাকার বালিবাহী ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকের নিচে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। গুরুতর আহত অপর কিশোরকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন কেশরহাট পৌরসভার সাঁকোয়া গ্রামের অফিজ উদ্দিনের দুই ছেলে কাইয়ুম ইসলাম রাতুল (১৮) ও স্বাধীন (২০) এবং সিংহমারা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে রিমন (১৯)।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মোহনপুর থানা পুলিশের এসআই ইয়ামিন আলী, এসআই আব্দুর রহিম, এসআই শিমুলসহ পুলিশের একটি দল এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন। পরে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “দুর্ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হেলেনা আক্তার বলেন, “খবর পেয়ে মোহনপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন। তাঁদের আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
এদিকে, হৃদয়বিদারক এ দুর্ঘটনায় কেশরহাট ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবারের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। স্থানীয়রা মোটরসাইকেলে ঝুঁকিপূর্ণ স্টান্ট বন্ধে কঠোর নজরদারি এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন