নওগাঁর পোরশায় শয়নকক্ষে বিষধর সাপের কামড়ে ফউজিয়া বেগম (৪৬) নামের এক গৃহিণীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত ফউজিয়া বেগম উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ধুলাডাংগা গ্রামের ওসমান আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নিজ শয়নকক্ষে জায়নামাজের ওপর শুয়ে ছিলেন ফউজিয়া বেগম। কিছু সময় পর তার পুত্রবধূ তাকে ডাকলে তিনি জায়নামাজ থেকে ওঠার চেষ্টা করেন। ঠিক সে মুহূর্তেই সেখানে লুকিয়ে থাকা একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়।
সাপের কামড়ে ফউজিয়া বেগম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে না নিয়ে প্রথমে স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে ঝাড়ফুঁকের নামে বেশ খানিকটা মূল্যবান সময় নষ্ট করা হয়। পরবর্তীতে ফউজিয়ার শারীরিক অবস্থার তীব্র অবনতি ঘটলে বাধ্য হয়ে স্বজনরা তাকে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সাপে কাটার বেশ অনেকক্ষণ পর রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ততক্ষণে বিষ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি ভিত্তিতে তাকে 'অ্যান্টিভেনম' ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি; চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই রাতে তার হয়।
তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:
"সাপের কামড়ের পরপরই ওঝার কাছে নিয়ে গিয়ে স্বজনরা চরম ভুল করেছেন। এই অহেতুক সময় নষ্ট না করে শুরুতেই যদি তাকে হাসপাতালে আনা হতো, তবে হয়তো ফউজিয়া বেগমকে বাঁচানো সম্ভব হতো।"

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পোরশায় শয়নকক্ষে বিষধর সাপের কামড়ে ফউজিয়া বেগম (৪৬) নামের এক গৃহিণীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহত ফউজিয়া বেগম উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ধুলাডাংগা গ্রামের ওসমান আলীর স্ত্রী।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নিজ শয়নকক্ষে জায়নামাজের ওপর শুয়ে ছিলেন ফউজিয়া বেগম। কিছু সময় পর তার পুত্রবধূ তাকে ডাকলে তিনি জায়নামাজ থেকে ওঠার চেষ্টা করেন। ঠিক সে মুহূর্তেই সেখানে লুকিয়ে থাকা একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়।
সাপের কামড়ে ফউজিয়া বেগম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে না নিয়ে প্রথমে স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে ঝাড়ফুঁকের নামে বেশ খানিকটা মূল্যবান সময় নষ্ট করা হয়। পরবর্তীতে ফউজিয়ার শারীরিক অবস্থার তীব্র অবনতি ঘটলে বাধ্য হয়ে স্বজনরা তাকে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সাপে কাটার বেশ অনেকক্ষণ পর রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ততক্ষণে বিষ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। জরুরি ভিত্তিতে তাকে 'অ্যান্টিভেনম' ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি; চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই রাতে তার হয়।
তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:
"সাপের কামড়ের পরপরই ওঝার কাছে নিয়ে গিয়ে স্বজনরা চরম ভুল করেছেন। এই অহেতুক সময় নষ্ট না করে শুরুতেই যদি তাকে হাসপাতালে আনা হতো, তবে হয়তো ফউজিয়া বেগমকে বাঁচানো সম্ভব হতো।"

আপনার মতামত লিখুন