দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইয়াংসান শহরে রোববার তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। ১৯০৪ সালে আধুনিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।
দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন (কেএমএ) জানিয়েছে, ইয়াংসানে টানা পঞ্চম দিনের মতো তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে ছিল। একই সময়ে ডেগু, বুসানসহ দেশের বিভিন্ন শহরেও তাপমাত্রা ৩৮ থেকে প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করেছে।
তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের ২০টিরও বেশি এলাকায় জরুরি সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সব ধরনের খোলা জায়গার কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) ছাড়া ঘরের ভেতরে অবস্থান করাও ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগ মানুষকে দ্রুত শীতল পরিবেশে আশ্রয় নেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই শপিং মল, ক্যাফে ও অন্যান্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। রাজধানী সিউলের এক বাসিন্দা বলেন, “বাইরে থাকার মতো কোনো পরিস্থিতিই নেই। তাই বাসা বা এসি থাকা জায়গাতেই থাকতে হচ্ছে।”
তাপপ্রবাহের প্রভাব পড়েছে খেলাধুলার ক্ষেত্রেও।
অতিরিক্ত গরমের কারণে চাংওন শহরে দক্ষিণ কোরিয়ার পেশাদার বেসবল লিগের একটি ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। দর্শক ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কেএমএর তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে দেশটিতে বছরে গড়ে তাপপ্রবাহের দিনের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ১৯ দিনে পৌঁছেছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহসহ বিভিন্ন ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন এবং তীব্র আকারে দেখা দিচ্ছে। চলতি বছর প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর প্রভাবও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইয়াংসান শহরে রোববার তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। ১৯০৪ সালে আধুনিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।
দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন (কেএমএ) জানিয়েছে, ইয়াংসানে টানা পঞ্চম দিনের মতো তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে ছিল। একই সময়ে ডেগু, বুসানসহ দেশের বিভিন্ন শহরেও তাপমাত্রা ৩৮ থেকে প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করেছে।
তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের ২০টিরও বেশি এলাকায় জরুরি সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সব ধরনের খোলা জায়গার কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) ছাড়া ঘরের ভেতরে অবস্থান করাও ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগ মানুষকে দ্রুত শীতল পরিবেশে আশ্রয় নেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই শপিং মল, ক্যাফে ও অন্যান্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। রাজধানী সিউলের এক বাসিন্দা বলেন, “বাইরে থাকার মতো কোনো পরিস্থিতিই নেই। তাই বাসা বা এসি থাকা জায়গাতেই থাকতে হচ্ছে।”
তাপপ্রবাহের প্রভাব পড়েছে খেলাধুলার ক্ষেত্রেও।
অতিরিক্ত গরমের কারণে চাংওন শহরে দক্ষিণ কোরিয়ার পেশাদার বেসবল লিগের একটি ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। দর্শক ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কেএমএর তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে দেশটিতে বছরে গড়ে তাপপ্রবাহের দিনের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ১৯ দিনে পৌঁছেছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহসহ বিভিন্ন ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন এবং তীব্র আকারে দেখা দিচ্ছে। চলতি বছর প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর প্রভাবও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

আপনার মতামত লিখুন