সিদ্ধিরগঞ্জে পদ্মা অয়েল ডিপোতে সশস্ত্র মহড়ার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মো: ইরফান ভূঁইয়া বলেন, পুরো পদ্মা অয়েল ডিপো ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে যে কারা প্রকৃতপক্ষে এই ঘটনায় জড়িত। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে পদ্মা ডিপোতে সশস্ত্র মহড়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি এ ঘটনায় কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন দাবি করে বলেন, সশস্ত্র মহড়ার দিন তিনি নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গার্মেন্টসে অবস্থান করছিলেন। পদ্মা ডিপোতে অবৈধ চোরাই তেল, চাঁদাবাজি কিংবা কোনো প্রকার অপকর্মের সাথে তিনি জড়িত নন। মূলত তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি মহল এই ঘটনার সাথে তার নাম জড়িয়েছে।
ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “পুরো পদ্মা অয়েল ডিপো ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সেই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে যে কারা প্রকৃতপক্ষে এই ঘটনায় জড়িত। তাই আমি ডিপো কর্তৃপক্ষ, সাংবাদিক এবং প্রশাসনের কাছে সিসি ফুটেজ সংরক্ষণের বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে যদি তার উপস্থিতি পাওয়া যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ তিনি মাথা পেতে নেবেন। আর যদি তার কোনো সম্পৃক্ততা না পাওয়া যায়, তবে এই ষড়যন্ত্রের পেছনের কুশীলবদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তিনি।
ডিপো কেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, “পদ্মা ডিপোতে ট্যাংকলরিতে চাঁদাবাজি হয়, এমন কথা আমিও শুনেছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা দ্রুত এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করুন এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসুন।”
নিজের পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে সাবেক এই ছাত্রদল নেতা বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জে তাদের ‘ভূঁইয়া পরিবারের’ দীর্ঘদিনের সুনাম রয়েছে। আদি আমল থেকেই তার পরিবার, বাবা ও দাদারা এলাকার স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদরাসাসহ নানা সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে অবদান রেখে আসছেন।
তার মতে, এই জনপ্রিয়তা ও সামাজিক অবদান অনেকের চোখে সহ্য হচ্ছে না বলেই বারবার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে এসব ষড়যন্ত্রে কান না দিয়ে সমাজসেবা মূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এখনও সময় আছে অপপ্রচার ও অপকর্ম ছেড়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করুন, অন্যথায় এই অপকর্মই একদিন নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনবে।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জে পদ্মা অয়েল ডিপোতে সশস্ত্র মহড়ার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মো: ইরফান ভূঁইয়া বলেন, পুরো পদ্মা অয়েল ডিপো ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে যে কারা প্রকৃতপক্ষে এই ঘটনায় জড়িত। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে পদ্মা ডিপোতে সশস্ত্র মহড়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি এ ঘটনায় কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন দাবি করে বলেন, সশস্ত্র মহড়ার দিন তিনি নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গার্মেন্টসে অবস্থান করছিলেন। পদ্মা ডিপোতে অবৈধ চোরাই তেল, চাঁদাবাজি কিংবা কোনো প্রকার অপকর্মের সাথে তিনি জড়িত নন। মূলত তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি মহল এই ঘটনার সাথে তার নাম জড়িয়েছে।
ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “পুরো পদ্মা অয়েল ডিপো ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সেই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে যে কারা প্রকৃতপক্ষে এই ঘটনায় জড়িত। তাই আমি ডিপো কর্তৃপক্ষ, সাংবাদিক এবং প্রশাসনের কাছে সিসি ফুটেজ সংরক্ষণের বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে যদি তার উপস্থিতি পাওয়া যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ তিনি মাথা পেতে নেবেন। আর যদি তার কোনো সম্পৃক্ততা না পাওয়া যায়, তবে এই ষড়যন্ত্রের পেছনের কুশীলবদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তিনি।
ডিপো কেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, “পদ্মা ডিপোতে ট্যাংকলরিতে চাঁদাবাজি হয়, এমন কথা আমিও শুনেছি। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা দ্রুত এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করুন এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসুন।”
নিজের পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে সাবেক এই ছাত্রদল নেতা বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জে তাদের ‘ভূঁইয়া পরিবারের’ দীর্ঘদিনের সুনাম রয়েছে। আদি আমল থেকেই তার পরিবার, বাবা ও দাদারা এলাকার স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদরাসাসহ নানা সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে অবদান রেখে আসছেন।
তার মতে, এই জনপ্রিয়তা ও সামাজিক অবদান অনেকের চোখে সহ্য হচ্ছে না বলেই বারবার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে এসব ষড়যন্ত্রে কান না দিয়ে সমাজসেবা মূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এখনও সময় আছে অপপ্রচার ও অপকর্ম ছেড়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করুন, অন্যথায় এই অপকর্মই একদিন নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনবে।

আপনার মতামত লিখুন