ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, তার কমনসেন্স বলছে, শেখ হাসিনা অবশ্যই দেশে ফিরে আসবেন।
বুধবার সরাইল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নাগরিক। দেশের রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের অবদান রয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে আওয়ামী লীগ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেছে। তার বয়সও হয়েছে। তিনি যদি দেশে ফিরে না আসেন, তাহলে তার দলের ভবিষ্যৎ অবস্থান এবং তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের মূল্যায়ন কীভাবে হবে—এসব বিষয় বিবেচনায় তার কমনসেন্স বলছে, তিনি নিশ্চয়ই দেশে ফিরবেন।
শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় সবার হাতেই গণমাধ্যম রয়েছে। মানুষ যে বক্তব্য শুনতে আগ্রহী, সেটি কোনো না কোনো উপায়ে তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। তাই কারও বক্তব্য পুরোপুরি প্রচার বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যও প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। সেটি যদি গণতন্ত্র না হয়, তাহলে এটিকে কীভাবে গণতন্ত্র বলা যায়?
ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, এ ধরনের ঘটনা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থার ইঙ্গিত বহন করে। একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের অঙ্গসংগঠনের ওপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ না থাকার বিষয়টিও সামনে আনে। তার ভাষায়, এসব ঘটনা দিন শেষে দেশ আবারও পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কার ইঙ্গিত দেয়।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা, নিহতদের স্বজন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: ঢাকা টাইমস।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, তার কমনসেন্স বলছে, শেখ হাসিনা অবশ্যই দেশে ফিরে আসবেন।
বুধবার সরাইল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নাগরিক। দেশের রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের অবদান রয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে আওয়ামী লীগ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করেছে। তার বয়সও হয়েছে। তিনি যদি দেশে ফিরে না আসেন, তাহলে তার দলের ভবিষ্যৎ অবস্থান এবং তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের মূল্যায়ন কীভাবে হবে—এসব বিষয় বিবেচনায় তার কমনসেন্স বলছে, তিনি নিশ্চয়ই দেশে ফিরবেন।
শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় সবার হাতেই গণমাধ্যম রয়েছে। মানুষ যে বক্তব্য শুনতে আগ্রহী, সেটি কোনো না কোনো উপায়ে তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। তাই কারও বক্তব্য পুরোপুরি প্রচার বন্ধ রাখা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যও প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। সেটি যদি গণতন্ত্র না হয়, তাহলে এটিকে কীভাবে গণতন্ত্র বলা যায়?
ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, এ ধরনের ঘটনা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থার ইঙ্গিত বহন করে। একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের অঙ্গসংগঠনের ওপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ না থাকার বিষয়টিও সামনে আনে। তার ভাষায়, এসব ঘটনা দিন শেষে দেশ আবারও পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কার ইঙ্গিত দেয়।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা, নিহতদের স্বজন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: ঢাকা টাইমস।

আপনার মতামত লিখুন