শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি ভবনে অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শুধু কাগজে-কলমে পরিকল্পনা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সম্পদ সীমিত হওয়ায় প্রয়োজন ও সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় রেখে কম খরচে সর্বোচ্চ ফল নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের সেবা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ড. মঈন খান আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উদ্যোগে এলজিইডি দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন ধারার সূচনা করেছিল। এর ফলে বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামোর চিত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দেশের মানুষ ভোগ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনপদের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এলজিইডির কর্মকর্তাদের হাতে। তৃণমূলের মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি ভবনে অধিদপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শুধু কাগজে-কলমে পরিকল্পনা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সম্পদ সীমিত হওয়ায় প্রয়োজন ও সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় রেখে কম খরচে সর্বোচ্চ ফল নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের সেবা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ড. মঈন খান আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উদ্যোগে এলজিইডি দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন ধারার সূচনা করেছিল। এর ফলে বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামোর চিত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দেশের মানুষ ভোগ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনপদের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এলজিইডির কর্মকর্তাদের হাতে। তৃণমূলের মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: কালের কণ্ঠ

আপনার মতামত লিখুন