ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে সামরিক সরকারের প্রতি ‘অনুগত’ নাগরিকের সংখ্যা কমছে: বিশ্লেষণ

পাকিস্তানে সামরিক সরকারের প্রতি ‘অনুগত’ নাগরিকের সংখ্যা কমছে: বিশ্লেষণ
পাকিস্তানে সামরিক সরকারের প্রতি ‘অনুগত’ নাগরিকের সংখ্যা কমছে: বিশ্লেষণ

পাকিস্তানের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে দেশটির জনগণকে ‘অনুগত’ এবং ‘বিপজ্জনক’—এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করে শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন মিডল ইস্ট মনিটর-এর বিশ্লেষক জুনায়েদ এস আহমেদ। তার বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে বলা হয়েছে, বর্তমান সামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা ‘অনুগত’ বা ‘ভালো’ নাগরিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং রাষ্ট্র কার্যত পুরো দেশকেই প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছে।

নিবন্ধে বলা হয়, রাওয়ালপিন্ডি, মুজাফফরাবাদসহ পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি, বেকারত্ব, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে উঠেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জয়েন্ট অ্যাওয়ামী অ্যাকশন কমিটিকে নিষিদ্ধ করা, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করা এবং সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনার মতো পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের কারণে আল জাজিরার ওয়েবসাইটে প্রবেশাধিকারও সীমিত করা হয়েছে।

নিবন্ধে আরও উল্লেখ করা হয়, কাশ্মীরে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে পাকিস্তান বরাবরই বীরত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরলেও নিজেদের নিয়ন্ত্রিত অংশে স্বাধিকারের দাবিকে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। একইভাবে বেলুচ, পশতু কিংবা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমর্থকদের রাজনৈতিক দাবিকেও রাষ্ট্রদ্রোহিতা বা সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দমনের নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে এতে বলা হয়েছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সামরিক ব্যবস্থা অভ্যন্তরীণ বৈধতার পরিবর্তে বৈদেশিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কারাগারে থাকলেও সামরিক শক্তির মাধ্যমে নাগরিকদের আনুগত্য জোরপূর্বক নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


পাকিস্তানে সামরিক সরকারের প্রতি ‘অনুগত’ নাগরিকের সংখ্যা কমছে: বিশ্লেষণ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পাকিস্তানের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে দেশটির জনগণকে ‘অনুগত’ এবং ‘বিপজ্জনক’—এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করে শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন মিডল ইস্ট মনিটর-এর বিশ্লেষক জুনায়েদ এস আহমেদ। তার বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে বলা হয়েছে, বর্তমান সামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা ‘অনুগত’ বা ‘ভালো’ নাগরিকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং রাষ্ট্র কার্যত পুরো দেশকেই প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছে।

নিবন্ধে বলা হয়, রাওয়ালপিন্ডি, মুজাফফরাবাদসহ পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি, বেকারত্ব, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে উঠেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জয়েন্ট অ্যাওয়ামী অ্যাকশন কমিটিকে নিষিদ্ধ করা, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করা এবং সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনার মতো পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের কারণে আল জাজিরার ওয়েবসাইটে প্রবেশাধিকারও সীমিত করা হয়েছে।

নিবন্ধে আরও উল্লেখ করা হয়, কাশ্মীরে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে পাকিস্তান বরাবরই বীরত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরলেও নিজেদের নিয়ন্ত্রিত অংশে স্বাধিকারের দাবিকে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। একইভাবে বেলুচ, পশতু কিংবা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সমর্থকদের রাজনৈতিক দাবিকেও রাষ্ট্রদ্রোহিতা বা সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দমনের নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে এতে বলা হয়েছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সামরিক ব্যবস্থা অভ্যন্তরীণ বৈধতার পরিবর্তে বৈদেশিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কারাগারে থাকলেও সামরিক শক্তির মাধ্যমে নাগরিকদের আনুগত্য জোরপূর্বক নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
পাকিস্তানে সামরিক সরকারের প্রতি ‘অনুগত’ নাগরিকের সংখ্যা কমছে: বিশ্লেষণ
0:00 0:00
1.0x