এরপর যখন সে দুই হাত ধোয়, তখন পানির সঙ্গে কিংবা পানির শেষ ফোঁটার সঙ্গে তার হাত দিয়ে করা গুনাহগুলো ঝরে যায়। এরপর দুই পা ধোয়ার সময় পানির সঙ্গে অথবা পানির শেষ ফোঁটার সঙ্গে তার পায়ের মাধ্যমে সংঘটিত গুনাহগুলোও বের হয়ে যায়। এভাবে অজু শেষ করার পর সে সব গুনাহ থেকে পবিত্র হয়ে যায়।
(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৫৭৭)
নোট: অজুর মাধ্যমে সগিরা বা ছোট গুনাহ মাফ হয়। তবে কবিরা বা বড় গুনাহের ক্ষমার জন্য আন্তরিক তাওবা ও আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হওয়া জরুরি। পরবর্তী হাদিসের মাধ্যমেও বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
১. অজু পবিত্রতার পাশাপাশি গুনাহ মোচনেরও মাধ্যম।
একজন মুমিন অজু করার সময় তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে সংঘটিত সগিরা গুনাহগুলো আল্লাহর রহমতে ক্ষমা হয়ে যায়।
২. চোখের দৃষ্টির গুনাহ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
হাদিসে অজুর সময় মুখ ধোয়ার সঙ্গে চোখের দৃষ্টির মাধ্যমে সংঘটিত গুনাহ মাফ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৩. হাত ও পায়ের গুনাহ থেকেও পবিত্র হওয়া যায়।
মানুষের হাত দিয়ে যেমন ভালো কাজ সম্পন্ন হয়, তেমনি গুনাহের কাজও হতে পারে। একইভাবে পা মানুষকে ভালো কিংবা মন্দ কাজের দিকে নিয়ে যেতে পারে। অজু এসব অঙ্গকে গুনাহ থেকে পবিত্র করার একটি বিশেষ আমল।
৪. নিয়মিত অজু ছোটখাটো গুনাহ মোচনের গুরুত্বপূর্ণ আমল।
মানুষ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ছোটখাটো ভুল ও গুনাহে জড়িয়ে পড়ে। নিয়মিত এবং সুন্দরভাবে অজু করা এসব গুনাহ মোচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল।
৫. সুন্নত অনুযায়ী সুন্দরভাবে অজু করা উচিত।
অজুর প্রতিটি অঙ্গ ধোয়ার সঙ্গে গুনাহ মোচনের সুসংবাদ রয়েছে। তাই তাড়াহুড়া না করে সুন্নত অনুযায়ী যত্নসহকারে অজু করা উচিত।
৬. কবিরা গুনাহের জন্য শুধু অজুর ওপর নির্ভর করা যাবে না।
বড় গুনাহ থেকে মুক্তির জন্য আন্তরিক তাওবা, অনুতাপ এবং গুনাহ ছেড়ে দেওয়া জরুরি। কারও হক নষ্ট হয়ে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া অথবা তার কাছে ক্ষমা চাওয়াও আবশ্যক।
সূত্র: কালের কন্ঠ।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
এরপর যখন সে দুই হাত ধোয়, তখন পানির সঙ্গে কিংবা পানির শেষ ফোঁটার সঙ্গে তার হাত দিয়ে করা গুনাহগুলো ঝরে যায়। এরপর দুই পা ধোয়ার সময় পানির সঙ্গে অথবা পানির শেষ ফোঁটার সঙ্গে তার পায়ের মাধ্যমে সংঘটিত গুনাহগুলোও বের হয়ে যায়। এভাবে অজু শেষ করার পর সে সব গুনাহ থেকে পবিত্র হয়ে যায়।
(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৫৭৭)
নোট: অজুর মাধ্যমে সগিরা বা ছোট গুনাহ মাফ হয়। তবে কবিরা বা বড় গুনাহের ক্ষমার জন্য আন্তরিক তাওবা ও আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হওয়া জরুরি। পরবর্তী হাদিসের মাধ্যমেও বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
১. অজু পবিত্রতার পাশাপাশি গুনাহ মোচনেরও মাধ্যম।
একজন মুমিন অজু করার সময় তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে সংঘটিত সগিরা গুনাহগুলো আল্লাহর রহমতে ক্ষমা হয়ে যায়।
২. চোখের দৃষ্টির গুনাহ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
হাদিসে অজুর সময় মুখ ধোয়ার সঙ্গে চোখের দৃষ্টির মাধ্যমে সংঘটিত গুনাহ মাফ হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৩. হাত ও পায়ের গুনাহ থেকেও পবিত্র হওয়া যায়।
মানুষের হাত দিয়ে যেমন ভালো কাজ সম্পন্ন হয়, তেমনি গুনাহের কাজও হতে পারে। একইভাবে পা মানুষকে ভালো কিংবা মন্দ কাজের দিকে নিয়ে যেতে পারে। অজু এসব অঙ্গকে গুনাহ থেকে পবিত্র করার একটি বিশেষ আমল।
৪. নিয়মিত অজু ছোটখাটো গুনাহ মোচনের গুরুত্বপূর্ণ আমল।
মানুষ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ছোটখাটো ভুল ও গুনাহে জড়িয়ে পড়ে। নিয়মিত এবং সুন্দরভাবে অজু করা এসব গুনাহ মোচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল।
৫. সুন্নত অনুযায়ী সুন্দরভাবে অজু করা উচিত।
অজুর প্রতিটি অঙ্গ ধোয়ার সঙ্গে গুনাহ মোচনের সুসংবাদ রয়েছে। তাই তাড়াহুড়া না করে সুন্নত অনুযায়ী যত্নসহকারে অজু করা উচিত।
৬. কবিরা গুনাহের জন্য শুধু অজুর ওপর নির্ভর করা যাবে না।
বড় গুনাহ থেকে মুক্তির জন্য আন্তরিক তাওবা, অনুতাপ এবং গুনাহ ছেড়ে দেওয়া জরুরি। কারও হক নষ্ট হয়ে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া অথবা তার কাছে ক্ষমা চাওয়াও আবশ্যক।
সূত্র: কালের কন্ঠ।

আপনার মতামত লিখুন