ঢাকা    শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জাতীয়

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল
গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের শক্তি বাড়লে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হয়। তবে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরিতে শুধু সরকারের ভূমিকা যথেষ্ট নয়; গণমাধ্যম, মালিকপক্ষ, সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান—সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর হলিডে ইন হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো ব্যবস্থা নয়, এটি একটি সংস্কৃতি। তাই টেকসই গণতন্ত্রের জন্য সহনশীলতা, ভিন্নমতের প্রতি সম্মান এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও জোরদার করতে হবে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা সম্ভব না হলে গণতন্ত্রও শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সত্য তুলে ধরা গণমাধ্যমের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আত্মসেন্সরশিপের পরিবর্তে সাংবাদিকদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন-ভাতা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে দীর্ঘস্থায়ী করতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো প্রয়োজন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা বাড়ানো গেলে গণমাধ্যম আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে। একই সঙ্গে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করে গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের সামনে নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি বলেন, সরকার, গণমাধ্যমের মালিকপক্ষ এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় তৈরি করা সম্ভব হলে গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।

টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. আব্দুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬


গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের শক্তি বাড়লে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হয়। তবে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরিতে শুধু সরকারের ভূমিকা যথেষ্ট নয়; গণমাধ্যম, মালিকপক্ষ, সাংবাদিক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান—সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর হলিডে ইন হোটেলে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো ব্যবস্থা নয়, এটি একটি সংস্কৃতি। তাই টেকসই গণতন্ত্রের জন্য সহনশীলতা, ভিন্নমতের প্রতি সম্মান এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও জোরদার করতে হবে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা সম্ভব না হলে গণতন্ত্রও শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সত্য তুলে ধরা গণমাধ্যমের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আত্মসেন্সরশিপের পরিবর্তে সাংবাদিকদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতন-ভাতা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে দীর্ঘস্থায়ী করতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো প্রয়োজন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা বাড়ানো গেলে গণমাধ্যম আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে। একই সঙ্গে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করে গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের সামনে নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি বলেন, সরকার, গণমাধ্যমের মালিকপক্ষ এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় তৈরি করা সম্ভব হলে গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।

টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. আব্দুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ গণমাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: কালবেলা


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - 

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রও শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল
0:00 0:00
1.0x