স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকের চোরাচালান, বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণ সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে জুয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার শহরের হিল ডাউন সার্কিট হাউসে জেলা আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, মাদক চোরাচালানের জন্য ব্যবহৃত রুটগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী যৌথ বাহিনী অথবা পৃথক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্দিষ্ট এলাকার দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, স্থলপথের পাশাপাশি সমুদ্র ও নদীপথে মাদক পাচার বন্ধে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের টহল বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে স্থাপন করা ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার অনেকগুলো বর্তমানে অকেজো হয়ে পড়েছে। এগুলো দ্রুত সচল করা হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পে সক্রিয় মাদক কারবারি ও বাহকদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উখিয়া-টেকনাফ এলাকার জেলে ও নৌযানগুলোর নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করা হবে বলেও জানান তিনি। তার মতে, এর ফলে নৌপথে কোনো ধরনের চোরাচালান হলে সংশ্লিষ্টদের সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
উখিয়া-টেকনাফে বেড়ে যাওয়া অপহরণের ঘটনাকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব এলাকায় অপহরণের ঘটনা বেশি ঘটছে, সেখানে সেনাবাহিনীর অন্তত দুটি ক্যাম্প স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানানো হবে। যেকোনো মূল্যে অপহরণ বন্ধে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।
সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ডগ স্কোয়াড ও প্রয়োজনীয় অস্ত্র সরবরাহ, প্রতিটি জেলায় মাদক শনাক্তকরণ ল্যাবরেটরি স্থাপন, হাজতখানা ও মালখানা নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট আইন সংস্কারের বিষয়েও আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকের চোরাচালান, বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণ সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে জুয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার শহরের হিল ডাউন সার্কিট হাউসে জেলা আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, মাদক চোরাচালানের জন্য ব্যবহৃত রুটগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী যৌথ বাহিনী অথবা পৃথক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্দিষ্ট এলাকার দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, স্থলপথের পাশাপাশি সমুদ্র ও নদীপথে মাদক পাচার বন্ধে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের টহল বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে স্থাপন করা ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার অনেকগুলো বর্তমানে অকেজো হয়ে পড়েছে। এগুলো দ্রুত সচল করা হবে। পাশাপাশি ক্যাম্পে সক্রিয় মাদক কারবারি ও বাহকদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উখিয়া-টেকনাফ এলাকার জেলে ও নৌযানগুলোর নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করা হবে বলেও জানান তিনি। তার মতে, এর ফলে নৌপথে কোনো ধরনের চোরাচালান হলে সংশ্লিষ্টদের সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
উখিয়া-টেকনাফে বেড়ে যাওয়া অপহরণের ঘটনাকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব এলাকায় অপহরণের ঘটনা বেশি ঘটছে, সেখানে সেনাবাহিনীর অন্তত দুটি ক্যাম্প স্থাপনের জন্য অনুরোধ জানানো হবে। যেকোনো মূল্যে অপহরণ বন্ধে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।
সভায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ডগ স্কোয়াড ও প্রয়োজনীয় অস্ত্র সরবরাহ, প্রতিটি জেলায় মাদক শনাক্তকরণ ল্যাবরেটরি স্থাপন, হাজতখানা ও মালখানা নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট আইন সংস্কারের বিষয়েও আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ।

আপনার মতামত লিখুন