স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার গজারিয়াপাড়া এলাকায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী জামায়াতকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে নুরুল ইসলাম সাজলকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তাকে আটক করেন। এরপর সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মিজান মিয়া এবং সাজলের বড় ভাই কাজল মিয়া তাকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী দাবি করেন, রাতে তিনি নিজের স্ত্রীর সঙ্গে নুরুল ইসলাম সাজলকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এরপর প্রতিবেশীদের ডাক দিলে স্থানীয়রা এসে তাকে আটক করেন। তবে পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
চুনারুঘাট উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মীর সাহেব আলী বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর নুরুল ইসলাম সাজলকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে নুরুল ইসলাম সাজলের বক্তব্য জানতে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন তিনি। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আরটিভি

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার গজারিয়াপাড়া এলাকায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী জামায়াতকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে নুরুল ইসলাম সাজলকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী তাকে আটক করেন। এরপর সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে গাজীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মিজান মিয়া এবং সাজলের বড় ভাই কাজল মিয়া তাকে নিজেদের জিম্মায় নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী দাবি করেন, রাতে তিনি নিজের স্ত্রীর সঙ্গে নুরুল ইসলাম সাজলকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এরপর প্রতিবেশীদের ডাক দিলে স্থানীয়রা এসে তাকে আটক করেন। তবে পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
চুনারুঘাট উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মীর সাহেব আলী বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর নুরুল ইসলাম সাজলকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে নুরুল ইসলাম সাজলের বক্তব্য জানতে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন তিনি। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আরটিভি

আপনার মতামত লিখুন