রাতে বিছানায় যাওয়ার পরও অনেকের সহজে ঘুম আসে না। দীর্ঘ সময় জেগে থাকা, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া কিংবা ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্তি—এসব সমস্যা বর্তমানে অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার, মানসিক চাপসহ বিভিন্ন কারণে রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
ঘুম না আসার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ। এছাড়া ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল, ফেসবুক বা ইউটিউব ব্যবহার করলেও ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। রাতে চা-কফি বা এনার্জি ড্রিংক পান, দিনের বেলা দীর্ঘ সময় ঘুমানো এবং প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে ঘুমানোর অভ্যাসও ঘুমের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
স্বাভাবিক ঘুম নিশ্চিত করতে রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা, ঘুমের আগে মোবাইল ও অন্যান্য স্ক্রিনের ব্যবহার কমানো এবং সন্ধ্যার পর চা-কফি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও আরামদায়ক ঘুমের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ।
তবে দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা চলতে থাকলে বিষয়টিকে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
রাতে বিছানায় যাওয়ার পরও অনেকের সহজে ঘুম আসে না। দীর্ঘ সময় জেগে থাকা, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া কিংবা ঘুম থেকে ওঠার পরও ক্লান্তি—এসব সমস্যা বর্তমানে অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার, মানসিক চাপসহ বিভিন্ন কারণে রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
ঘুম না আসার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ। এছাড়া ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল, ফেসবুক বা ইউটিউব ব্যবহার করলেও ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। রাতে চা-কফি বা এনার্জি ড্রিংক পান, দিনের বেলা দীর্ঘ সময় ঘুমানো এবং প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে ঘুমানোর অভ্যাসও ঘুমের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
স্বাভাবিক ঘুম নিশ্চিত করতে রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা, ঘুমের আগে মোবাইল ও অন্যান্য স্ক্রিনের ব্যবহার কমানো এবং সন্ধ্যার পর চা-কফি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম ও আরামদায়ক ঘুমের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ।
তবে দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা চলতে থাকলে বিষয়টিকে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন