শনিবার সকালে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।
এর আগে একই বিরোধের জেরে ৪ আগস্ট দিবাগত রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। ওই ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টিয়ারা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ববিরোধ ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শিশু মিয়া ও আবুল হোসেন চেয়ারম্যানের লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২ জুন দুই পক্ষ টেঁটা ও বল্লম নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
২ জুনের সংঘর্ষে গুরুতর আহত টিয়ারা গ্রামের আবুল খায়ের মিয়ার ছেলে ইকবাল মিয়া (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১০ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তবে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে।
এক পক্ষের দাবি, সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর ইকবাল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। অন্য পক্ষের অভিযোগ, মাদকের টাকা নিয়ে পারিবারিক মারামারিতে আহত হয়ে তিনি মারা যান।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ২ জুনের সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলার দুই পক্ষের আসামিরা জামিনে বের হয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন। এর আগে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা দাঙ্গায় জড়াবেন না—এমন অঙ্গীকারনামা উভয় পক্ষ থানায় দিয়েছিল। এরপরও তারা ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নবীনগর থানার ওসি মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এলাকায় যাতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি না হয়, সে জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
শনিবার সকালে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।
এর আগে একই বিরোধের জেরে ৪ আগস্ট দিবাগত রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। ওই ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টিয়ারা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ববিরোধ ও স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শিশু মিয়া ও আবুল হোসেন চেয়ারম্যানের লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২ জুন দুই পক্ষ টেঁটা ও বল্লম নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
২ জুনের সংঘর্ষে গুরুতর আহত টিয়ারা গ্রামের আবুল খায়ের মিয়ার ছেলে ইকবাল মিয়া (৬০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১০ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তবে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে।
এক পক্ষের দাবি, সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর ইকবাল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। অন্য পক্ষের অভিযোগ, মাদকের টাকা নিয়ে পারিবারিক মারামারিতে আহত হয়ে তিনি মারা যান।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ২ জুনের সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলার দুই পক্ষের আসামিরা জামিনে বের হয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন। এর আগে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা দাঙ্গায় জড়াবেন না—এমন অঙ্গীকারনামা উভয় পক্ষ থানায় দিয়েছিল। এরপরও তারা ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নবীনগর থানার ওসি মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এলাকায় যাতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি না হয়, সে জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন