বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার, সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি তাদের জীবন ও জীবিকার সংকট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে প্রতিবছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন করা হয়। ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘ ৯ আগস্টকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দিবসটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদযাপনের পাশাপাশি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমির অধিকার, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, নারীর অধিকার, ঐতিহ্যগত জ্ঞান এবং নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে।
এবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য হলো—‘Honouring Indigenous Midwives: Safeguarding Life and Well-being’। এই প্রতিপাদ্যে আদিবাসী ধাত্রীদের অবদান এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা তাদের ঐতিহ্যবাহী স্বাস্থ্যজ্ঞান ও মাতৃসেবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার, সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি তাদের জীবন ও জীবিকার সংকট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে প্রতিবছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন করা হয়। ১৯৯৪ সালে জাতিসংঘ ৯ আগস্টকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দিবসটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদযাপনের পাশাপাশি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমির অধিকার, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, নারীর অধিকার, ঐতিহ্যগত জ্ঞান এবং নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করে।
এবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য হলো—‘Honouring Indigenous Midwives: Safeguarding Life and Well-being’। এই প্রতিপাদ্যে আদিবাসী ধাত্রীদের অবদান এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা তাদের ঐতিহ্যবাহী স্বাস্থ্যজ্ঞান ও মাতৃসেবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন