রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম
আজ ৯ আগস্ট রোববার বেলা ১১:৩০ মিনিটে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডের জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।
বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসন্ন নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সর্বসম্মতভাবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম শীর্ষ নেতা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম-এর নাম চূড়ান্ত করা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্দুল কাইয়্যুম সোবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন, এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, জাগপার মহাসচিব অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, বিডিপির জেনারেল সেক্রেটারি নিজামুল হক নাঈম সহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
ব্রিফিংয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের জন্য আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। সবক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিত। আমরা চাই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের গতি ও সুস্থধারা ফিরে আসুক। এ জন্য আমরা সর্বসম্মতিক্রমে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রমকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেছি।
ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমি বাংলাদেশের জনগণ ও ১১ দলের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। সবাই মনে করেছে আমি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে একজন পরীক্ষিত লোক এবং আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নাই। সুন্দরভাবে জীবনযাপন করছি। এজন্য সবাই আমাকে মনোনীত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি আমাদের জায়গা থেকে এ জাতির সাথে বেঈমানি করব না। হারবো বা জিতবো সেটি প্রশ্ন না- জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং মানুষের জন্য যেটা ভালো, সেটার জন্য সবসময় কাজ করব। সেইজন্য আজ একসাথে হয়েছি এবং সবাই আমার নাম প্রস্তাব করেছে।
নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি সরকার জনগণের সাথে দ্বিচারিতা করছে। জুলাই সনদে ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে পারব। কিন্তু সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করেছে। এই সরকার স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আমরা আনন্দিত আমাদের বিবেচনায় সবচেয়ে যোগ্য একজনকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনীত করেছি। ১১ দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদকে মনোনীত করেছি। তিনি জুলাইয়ের চেতনার একজন বলিষ্ঠ ধারক। আমরা আশা করব, ১১ দলের বাইরেও যারা দেশকে ভালোবাসেন তারাও তাকে বিবেচনা করবেন। আমরা প্রত্যাশা রাখি তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের সফল নেতৃত্ব দেবেন।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম
আজ ৯ আগস্ট রোববার বেলা ১১:৩০ মিনিটে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডের জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।
বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসন্ন নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সর্বসম্মতভাবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম শীর্ষ নেতা ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম-এর নাম চূড়ান্ত করা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্দুল কাইয়্যুম সোবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন, এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, জাগপার মহাসচিব অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, বিডিপির জেনারেল সেক্রেটারি নিজামুল হক নাঈম সহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
ব্রিফিংয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের জন্য আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। সবক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিত। আমরা চাই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের গতি ও সুস্থধারা ফিরে আসুক। এ জন্য আমরা সর্বসম্মতিক্রমে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীর বিক্রমকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেছি।
ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমি বাংলাদেশের জনগণ ও ১১ দলের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। সবাই মনে করেছে আমি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে একজন পরীক্ষিত লোক এবং আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নাই। সুন্দরভাবে জীবনযাপন করছি। এজন্য সবাই আমাকে মনোনীত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি আমাদের জায়গা থেকে এ জাতির সাথে বেঈমানি করব না। হারবো বা জিতবো সেটি প্রশ্ন না- জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং মানুষের জন্য যেটা ভালো, সেটার জন্য সবসময় কাজ করব। সেইজন্য আজ একসাথে হয়েছি এবং সবাই আমার নাম প্রস্তাব করেছে।
নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি সরকার জনগণের সাথে দ্বিচারিতা করছে। জুলাই সনদে ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে পারব। কিন্তু সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করেছে। এই সরকার স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আমরা আনন্দিত আমাদের বিবেচনায় সবচেয়ে যোগ্য একজনকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনীত করেছি। ১১ দলের পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদকে মনোনীত করেছি। তিনি জুলাইয়ের চেতনার একজন বলিষ্ঠ ধারক। আমরা আশা করব, ১১ দলের বাইরেও যারা দেশকে ভালোবাসেন তারাও তাকে বিবেচনা করবেন। আমরা প্রত্যাশা রাখি তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের সফল নেতৃত্ব দেবেন।

আপনার মতামত লিখুন