রোববার প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন।
মামলার প্রসিকিউটর শাইখ মাহদি আমার দেশকে জানান, প্রাথমিক তদন্ত এবং সাক্ষীদের জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীকে অপহরণের ঘটনায় উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। কয়েক দিন ধরে তাকে গ্রেপ্তার করে বিমানবাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়েছে—এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরে রোববার সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হলে ট্রাইব্যুনাল তা অনুমোদন করেন।
প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, প্রায় দেড় দশক আগে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় দফায় তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
সে সময় বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার সাইফুর রহমান র্যাবের গোয়েন্দা শাখায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সময়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক ছিলেন।
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের জামাতা সাইফুর রহমান সর্বশেষ বিমান সদর দপ্তরের ‘ডিরেক্টরেট অব এয়ার ট্রেনিং’-এর ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গত ২১ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েসের দেওয়া জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীর গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের নাম উঠে আসে। এ মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন।
সূত্র: আমার দেশ।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
রোববার প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন।
মামলার প্রসিকিউটর শাইখ মাহদি আমার দেশকে জানান, প্রাথমিক তদন্ত এবং সাক্ষীদের জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীকে অপহরণের ঘটনায় উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। কয়েক দিন ধরে তাকে গ্রেপ্তার করে বিমানবাহিনীর হেফাজতে রাখা হয়েছে—এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরে রোববার সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হলে ট্রাইব্যুনাল তা অনুমোদন করেন।
প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, প্রায় দেড় দশক আগে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় দফায় তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
সে সময় বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার সাইফুর রহমান র্যাবের গোয়েন্দা শাখায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই সময়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক ছিলেন।
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের জামাতা সাইফুর রহমান সর্বশেষ বিমান সদর দপ্তরের ‘ডিরেক্টরেট অব এয়ার ট্রেনিং’-এর ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গত ২১ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েসের দেওয়া জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীর গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের নাম উঠে আসে। এ মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন।
সূত্র: আমার দেশ।

আপনার মতামত লিখুন