১৩৫ নম্বর ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনটি ঢাকা থেকে বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করবে। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে। অন্যদিকে, ১৩৬ নম্বর ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ গোপালগঞ্জ থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ট্রেনে মোট ৮টি কোচ রয়েছে। এতে আসন সংখ্যা ৬৩০টি। ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত ১৪৮ কিলোমিটার রেলপথে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি থাকবে ৭টি স্টেশনে।
ঢাকা ও গোপালগঞ্জের মধ্যবর্তী যাত্রাবিরতির স্টেশনগুলো হলো—কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা, মহেশপুর ও কাশিয়ানী জংশন। প্রতি শনিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক চলাচল বন্ধ থাকবে।
‘অভিযাত্রী কমিউটার’ চালুর ফলে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ যাত্রীরা প্রতিদিন কম খরচে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবেন। কর্মদিবস শেষে তারা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ার সুযোগও পাবেন।
একই সঙ্গে গোপালগঞ্জ ও এর আশপাশের এলাকার শাকসবজি, কৃষিপণ্য, মাছসহ অন্যান্য স্থানীয় পণ্য দ্রুত এবং তুলনামূলক কম খরচে ঢাকার বাজারে পরিবহনের সুযোগ তৈরি হবে।
ট্রেন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ট্রেনটির প্রথম যাত্রায় গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা, গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী যাত্রীদের সঙ্গে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
সূত্র: মানবজমিন

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
১৩৫ নম্বর ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনটি ঢাকা থেকে বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করবে। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে। অন্যদিকে, ১৩৬ নম্বর ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ গোপালগঞ্জ থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ট্রেনে মোট ৮টি কোচ রয়েছে। এতে আসন সংখ্যা ৬৩০টি। ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত ১৪৮ কিলোমিটার রেলপথে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি থাকবে ৭টি স্টেশনে।
ঢাকা ও গোপালগঞ্জের মধ্যবর্তী যাত্রাবিরতির স্টেশনগুলো হলো—কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা, মহেশপুর ও কাশিয়ানী জংশন। প্রতি শনিবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক চলাচল বন্ধ থাকবে।
‘অভিযাত্রী কমিউটার’ চালুর ফলে গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ যাত্রীরা প্রতিদিন কম খরচে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবেন। কর্মদিবস শেষে তারা নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ার সুযোগও পাবেন।
একই সঙ্গে গোপালগঞ্জ ও এর আশপাশের এলাকার শাকসবজি, কৃষিপণ্য, মাছসহ অন্যান্য স্থানীয় পণ্য দ্রুত এবং তুলনামূলক কম খরচে ঢাকার বাজারে পরিবহনের সুযোগ তৈরি হবে।
ট্রেন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ট্রেনটির প্রথম যাত্রায় গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা, গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী যাত্রীদের সঙ্গে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
সূত্র: মানবজমিন

আপনার মতামত লিখুন