ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় অবস্থিত টাটা সার্ভিসিং সেন্টারে ডিউটিরত অবস্থায় আব্দুর রহমান (৪৬) নামে এক সিকিউরিটি গার্ডকে পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহত আব্দুর রহমান সদর পৌরসভার হাজিপাড়া এলাকার মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই সার্ভিসিং সেন্টারে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) সকালে যথারীতি বাসা থেকে ডিউটির উদ্দেশ্যে বের হন আব্দুর রহমান। কিন্তু বিকেল থেকে পরিবারের লোকজন তাকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অন্য আরেকজন সিকিউরিটি গার্ড সার্ভিসিং সেন্টারে এসে আব্দুর রহমানকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং স্থানীয় থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং মরদেহ উদ্ধার করে। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—ডিউটিরত অবস্থায় লাঠি বা ভারী কোনো বস্তু দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে আসে। শোকার্ত পরিবার এবং স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় অবস্থিত টাটা সার্ভিসিং সেন্টারে ডিউটিরত অবস্থায় আব্দুর রহমান (৪৬) নামে এক সিকিউরিটি গার্ডকে পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিহত আব্দুর রহমান সদর পৌরসভার হাজিপাড়া এলাকার মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই সার্ভিসিং সেন্টারে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) সকালে যথারীতি বাসা থেকে ডিউটির উদ্দেশ্যে বের হন আব্দুর রহমান। কিন্তু বিকেল থেকে পরিবারের লোকজন তাকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অন্য আরেকজন সিকিউরিটি গার্ড সার্ভিসিং সেন্টারে এসে আব্দুর রহমানকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং স্থানীয় থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং মরদেহ উদ্ধার করে। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—ডিউটিরত অবস্থায় লাঠি বা ভারী কোনো বস্তু দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে আসে। শোকার্ত পরিবার এবং স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন

আপনার মতামত লিখুন