মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চকমান গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। সুজন উপজেলার কেশবকাঠী-হাবিবপুর গ্রামের মো. শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. আল আমিন তালুকদারের বাড়িতে এক নারীর সঙ্গে সুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন। পরে তাকে আটক করা হলে স্থানীয়দের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই বাড়িতে সুজনের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঘটনার রাতে স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাকে থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের কাছে দেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, বিএনপি নেতা মো. শাহীন মাস্টারের হস্তক্ষেপে সুজনকে সেখান থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুজন। তার ভাষ্য, ‘মেয়ের বাবার ফোন পেয়ে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিষয়টি করেছে।’
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন সুজনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সুজন বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা ও উত্তর চকমান রেজিস্ট্রি বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. শাহিন হোসেন বলেন, ‘চোর ধরতে গিয়ে চোর হয়েছে। আমি ঘটনার সময় সেখানে ছিলাম।’
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
সূত্র: কালবেলা

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চকমান গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। সুজন উপজেলার কেশবকাঠী-হাবিবপুর গ্রামের মো. শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. আল আমিন তালুকদারের বাড়িতে এক নারীর সঙ্গে সুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় কয়েকজন। পরে তাকে আটক করা হলে স্থানীয়দের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত কয়েকজন তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই বাড়িতে সুজনের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। ঘটনার রাতে স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাকে থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের কাছে দেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, বিএনপি নেতা মো. শাহীন মাস্টারের হস্তক্ষেপে সুজনকে সেখান থেকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুজন। তার ভাষ্য, ‘মেয়ের বাবার ফোন পেয়ে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিষয়টি করেছে।’
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন সুজনের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সুজন বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা ও উত্তর চকমান রেজিস্ট্রি বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. শাহিন হোসেন বলেন, ‘চোর ধরতে গিয়ে চোর হয়েছে। আমি ঘটনার সময় সেখানে ছিলাম।’
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন