বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বজনীন ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং ক্যাশলেস লেনদেনের পরিবেশ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মার্চেন্টদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা করেছে বিকাশ। দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত এসব সভা ইতোমধ্যে ৯৭টি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিকাশের প্রায় ১ হাজার ৫০০ মার্চেন্ট অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে মার্চেন্টরা কীভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও সহজ ও গতিশীল করতে পারেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণের পর অর্থ সরাসরি মার্চেন্টের অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এতে নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি এবং ভাঙতি টাকার সমস্যাও কমে। একই সঙ্গে লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং ব্যবসার হিসাব সংরক্ষণ সহজ হয়।
মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে যুগোপযোগী ‘ক্রেডিট রেটিং’ তৈরির সুযোগও তৈরি হয়েছে। এই রেটিংয়ের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা কোনো জামানত ছাড়াই তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ঋণ নিতে পারেন। এর মাধ্যমে তাদের পরিচালন মূলধনের সংকট মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব। এরই মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মার্চেন্টদের জন্য স্বল্পমেয়াদি তাৎক্ষণিক ঋণ সুবিধা চালু করেছে বিকাশ। ইতোমধ্যে বেশ কিছু মার্চেন্ট এই ডিজিটাল ঋণ সুবিধা গ্রহণ শুরু করেছেন।
মার্চেন্টদের ‘ডিজিটাল পেমেন্ট স্পিকার’ ব্যবহারের বিষয়েও সভাগুলোতে জানানো হয়। এই স্পিকার স্থাপনের ফলে পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ এবং পেমেন্ট সফল হওয়ার তথ্য শোনা যায়। ফলে গ্রাহক ও মার্চেন্ট—দুই পক্ষেরই আলাদাভাবে পেমেন্ট সফল হয়েছে কি না যাচাই করার প্রয়োজন হয় না।
মতবিনিময় সভায় মার্চেন্টদের পাশাপাশি বাংলা কিউআর-এর বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিকাশ গ্রাহকরা যেসব সুবিধা পাচ্ছেন, সেগুলো নিয়েও আলোচনা করা হয়। বাংলা কিউআর স্ক্যান করে দ্রুত পেমেন্ট করার সময় বিকাশ গ্রাহকরা ‘পে-লেটার’ নামে বিশেষ জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা নিতে পারেন। অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকলেও এই সুবিধার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কেনাকাটা করা সম্ভব।
এছাড়া বিকাশ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ভিসা কার্ড ব্যবহার করেও অ্যাপ থেকে পেমেন্ট করা যায়। পাশাপাশি সর্বোচ্চ সংখ্যক ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি করে বিকাশ অ্যাকাউন্টে অর্থ এনে পেমেন্ট করার সুবিধাও রয়েছে।
বাংলা কিউআর-এর ব্যবহার ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় ব্র্যান্ডেড তোরণ স্থাপন, দৃশ্যমান প্রচারসামগ্রী প্রদর্শন এবং এলাকাভিত্তিক মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিকাশ।
বিকাশের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মুদি দোকান, ফার্মেসি, রেস্টুরেন্ট, লাইফস্টাইল শপ ও সুপারশপসহ ছোট-বড় ৮ লাখের বেশি মার্চেন্টে ইতোমধ্যে বাংলা কিউআর প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এসব বাংলা কিউআর ব্যবহার করে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ২০০ কোটি টাকার বেশি পেমেন্ট সম্পন্ন হচ্ছে।
সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বজনীন ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং ক্যাশলেস লেনদেনের পরিবেশ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মার্চেন্টদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা করেছে বিকাশ। দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত এসব সভা ইতোমধ্যে ৯৭টি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিকাশের প্রায় ১ হাজার ৫০০ মার্চেন্ট অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে মার্চেন্টরা কীভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও সহজ ও গতিশীল করতে পারেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহণের পর অর্থ সরাসরি মার্চেন্টের অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এতে নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি এবং ভাঙতি টাকার সমস্যাও কমে। একই সঙ্গে লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়ে এবং ব্যবসার হিসাব সংরক্ষণ সহজ হয়।
মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে যুগোপযোগী ‘ক্রেডিট রেটিং’ তৈরির সুযোগও তৈরি হয়েছে। এই রেটিংয়ের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা কোনো জামানত ছাড়াই তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ঋণ নিতে পারেন। এর মাধ্যমে তাদের পরিচালন মূলধনের সংকট মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব। এরই মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মার্চেন্টদের জন্য স্বল্পমেয়াদি তাৎক্ষণিক ঋণ সুবিধা চালু করেছে বিকাশ। ইতোমধ্যে বেশ কিছু মার্চেন্ট এই ডিজিটাল ঋণ সুবিধা গ্রহণ শুরু করেছেন।
মার্চেন্টদের ‘ডিজিটাল পেমেন্ট স্পিকার’ ব্যবহারের বিষয়েও সভাগুলোতে জানানো হয়। এই স্পিকার স্থাপনের ফলে পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ এবং পেমেন্ট সফল হওয়ার তথ্য শোনা যায়। ফলে গ্রাহক ও মার্চেন্ট—দুই পক্ষেরই আলাদাভাবে পেমেন্ট সফল হয়েছে কি না যাচাই করার প্রয়োজন হয় না।
মতবিনিময় সভায় মার্চেন্টদের পাশাপাশি বাংলা কিউআর-এর বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিকাশ গ্রাহকরা যেসব সুবিধা পাচ্ছেন, সেগুলো নিয়েও আলোচনা করা হয়। বাংলা কিউআর স্ক্যান করে দ্রুত পেমেন্ট করার সময় বিকাশ গ্রাহকরা ‘পে-লেটার’ নামে বিশেষ জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা নিতে পারেন। অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকলেও এই সুবিধার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কেনাকাটা করা সম্ভব।
এছাড়া বিকাশ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ভিসা কার্ড ব্যবহার করেও অ্যাপ থেকে পেমেন্ট করা যায়। পাশাপাশি সর্বোচ্চ সংখ্যক ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি করে বিকাশ অ্যাকাউন্টে অর্থ এনে পেমেন্ট করার সুবিধাও রয়েছে।
বাংলা কিউআর-এর ব্যবহার ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় ব্র্যান্ডেড তোরণ স্থাপন, দৃশ্যমান প্রচারসামগ্রী প্রদর্শন এবং এলাকাভিত্তিক মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিকাশ।
বিকাশের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মুদি দোকান, ফার্মেসি, রেস্টুরেন্ট, লাইফস্টাইল শপ ও সুপারশপসহ ছোট-বড় ৮ লাখের বেশি মার্চেন্টে ইতোমধ্যে বাংলা কিউআর প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এসব বাংলা কিউআর ব্যবহার করে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ২০০ কোটি টাকার বেশি পেমেন্ট সম্পন্ন হচ্ছে।
সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ।

আপনার মতামত লিখুন