যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়েছে যবিপ্রবি প্রশাসন।
এ দাবিতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরের নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়মিত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় তাদের প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে যশোর জংশন রেলওয়ে স্টেশনে যেতে হয়। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব হয় না।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনটি যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাটি ইউনিয়নে অবস্থিত এবং এটি যবিপ্রবির সবচেয়ে কাছের রেলস্টেশন। তবে স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে একটি মেইল ট্রেন ছাড়া কোনো আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ নেই।
শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যবিপ্রবি প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি মেহেরুল্লাহনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালুর দাবি জানিয়েছে যবিপ্রবি প্রশাসন।
এ দাবিতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীরের নির্দেশক্রমে রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়মিত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় তাদের প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে যশোর জংশন রেলওয়ে স্টেশনে যেতে হয়। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব হয় না।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগরসহ সব ধরনের ট্রেনের স্টপেজ চালু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনটি যশোর সদর উপজেলার চূড়ামনকাটি ইউনিয়নে অবস্থিত এবং এটি যবিপ্রবির সবচেয়ে কাছের রেলস্টেশন। তবে স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে এবং বর্তমানে সেখানে একটি মেইল ট্রেন ছাড়া কোনো আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ নেই।
শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত মেহেরুল্লাহনগর স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যবিপ্রবি প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন