অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট জয়ের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। সেই সম্ভাবনার সঙ্গে এবার ইতিহাস ও পরিসংখ্যানও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কথা বলছে।
২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থেকেও অস্ট্রেলিয়া টেস্ট জিতেছে মাত্র তিনবার। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ঘাটতি ছিল ২০৬ রানের। ২০১০ সালের সিডনি টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওই ঘাটতি কাটিয়ে জয় পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া ২০০৪ সালে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬১ রান এবং ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৫৮ রানে পিছিয়ে থাকার পরও জয় পেয়েছিল তারা।
অর্থাৎ, ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে ২০০ রানের বেশি পিছিয়ে থেকেও অস্ট্রেলিয়ার জয় মাত্র একবার। ডারউইনে বাংলাদেশ এরই মধ্যে সেই সীমার চেয়েও বেশি—২১৯ রানের লিড নিয়েছে।
এ ছাড়া ২০১৯ সালের জানুয়ারির পর এই প্রথম ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ২০০ রানের বেশি পিছিয়ে পড়েছে। সর্বশেষ এমন পরিস্থিতিতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত।
টেস্ট ইতিহাসে প্রথম ইনিংসে ২০০ বা তার বেশি রানে পিছিয়ে পড়ার পর অস্ট্রেলিয়া ৮২ বার এমন পরিস্থিতিতে পড়েছে। এর মধ্যে জয় এসেছে মাত্র তিনবার।
তবে প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৯৭ রানে পিছিয়ে থেকেও টেস্ট জয়ের রেকর্ড রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। ১৯৯২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই ম্যাচে জয় পেয়েছিল তারা। এর আগে ১৯৫০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষেও প্রথম ইনিংসে ২৩৬ রানে পিছিয়ে থেকে টেস্ট জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া।
এদিকে ভারতের বিপক্ষে খেলা সেই সিডনি টেস্টে প্যাট কামিন্সের দল এক ইনিংসে ১৬৭.২ ওভার বোলিং করেছিল। ২০১৯ সালের ওই ম্যাচের পর কোনো এক ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে সবচেয়ে বেশি ওভার বল করতে হয়েছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত নাজমুল হোসেন শান্তর দল ব্যাট করেছে ১৩৩ ওভার।
চলমান ডারউইন টেস্টে ব্যাট হাতে ব্যক্তিগত একটি রেকর্ডও গড়েছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। আট নম্বর বা তার নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি খেলেছেন ৯২ বল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের এই অবস্থানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বল মোকাবিলার নজির এটি।
এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন নাসির হোসেন। ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আট নম্বর বা তার নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি সর্বোচ্চ ৯৭ বল খেলেছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট জয়ের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। সেই সম্ভাবনার সঙ্গে এবার ইতিহাস ও পরিসংখ্যানও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কথা বলছে।
২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে অন্তত ১৫০ রানে পিছিয়ে থেকেও অস্ট্রেলিয়া টেস্ট জিতেছে মাত্র তিনবার। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ঘাটতি ছিল ২০৬ রানের। ২০১০ সালের সিডনি টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওই ঘাটতি কাটিয়ে জয় পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া ২০০৪ সালে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬১ রান এবং ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৫৮ রানে পিছিয়ে থাকার পরও জয় পেয়েছিল তারা।
অর্থাৎ, ২০০০ সালের পর প্রথম ইনিংসে ২০০ রানের বেশি পিছিয়ে থেকেও অস্ট্রেলিয়ার জয় মাত্র একবার। ডারউইনে বাংলাদেশ এরই মধ্যে সেই সীমার চেয়েও বেশি—২১৯ রানের লিড নিয়েছে।
এ ছাড়া ২০১৯ সালের জানুয়ারির পর এই প্রথম ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ২০০ রানের বেশি পিছিয়ে পড়েছে। সর্বশেষ এমন পরিস্থিতিতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত।
টেস্ট ইতিহাসে প্রথম ইনিংসে ২০০ বা তার বেশি রানে পিছিয়ে পড়ার পর অস্ট্রেলিয়া ৮২ বার এমন পরিস্থিতিতে পড়েছে। এর মধ্যে জয় এসেছে মাত্র তিনবার।
তবে প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৯৭ রানে পিছিয়ে থেকেও টেস্ট জয়ের রেকর্ড রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। ১৯৯২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই ম্যাচে জয় পেয়েছিল তারা। এর আগে ১৯৫০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষেও প্রথম ইনিংসে ২৩৬ রানে পিছিয়ে থেকে টেস্ট জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া।
এদিকে ভারতের বিপক্ষে খেলা সেই সিডনি টেস্টে প্যাট কামিন্সের দল এক ইনিংসে ১৬৭.২ ওভার বোলিং করেছিল। ২০১৯ সালের ওই ম্যাচের পর কোনো এক ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে সবচেয়ে বেশি ওভার বল করতে হয়েছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত নাজমুল হোসেন শান্তর দল ব্যাট করেছে ১৩৩ ওভার।
চলমান ডারউইন টেস্টে ব্যাট হাতে ব্যক্তিগত একটি রেকর্ডও গড়েছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। আট নম্বর বা তার নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি খেলেছেন ৯২ বল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের এই অবস্থানে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বল মোকাবিলার নজির এটি।
এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন নাসির হোসেন। ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আট নম্বর বা তার নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি সর্বোচ্চ ৯৭ বল খেলেছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন