দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াডেস লাকা লেনা এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। জিএমটি অনুযায়ী সময়টি ছিল রাত ৯টা ৫৮ মিনিট। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে। এর পরপরই বেশ কয়েকটি পরাঘাত অনুভূত হয়।
রাজধানী জাকার্তায় এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র বার্টন সুয়ার পেলিতা পাঞ্জাইতান জানান, এ পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। নিহতদের একজন পুরুষ এবং অন্যজন নারী।
তিনি বলেন, আরও তথ্য যাচাই ও নিশ্চিত হওয়ার পর ভূমিকম্পে হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
ভূমিকম্পের পর ফ্লোরেস দ্বীপের কয়েকটি এলাকায় প্রায় তিন ফুট উচ্চতার সুনামি আঘাত হানে। উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়েছিল। আতঙ্কিত হয়ে অনেক মানুষ নিরাপদ উঁচু এলাকায় চলে যান। পরে সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা।
বিএমকেজির ভূমিকম্প ও সুনামি বিভাগের পরিচালক উইজায়ান্তো জাকার্তায় সাংবাদিকদের বলেন, সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা পর্যবেক্ষণ করা অব্যাহত থাকবে।
ভূমিকম্পের পর বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপের মাউমেরে শহরের একটি বন্দরের ভিডিওও রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির অবস্থান যাচাই করে নিশ্চিত হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ভবনের কিছু অংশ ধসে পড়ছে। এ সময় লোকজন চিৎকার করতে করতে রাস্তায় ছুটে যাচ্ছেন।
স্থানীয় কমপাস টিভিতে প্রচারিত আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ইস্ট নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে এলাকার একটি হাসপাতাল থেকে রোগীদের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াডেস লাকা লেনা এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। জিএমটি অনুযায়ী সময়টি ছিল রাত ৯টা ৫৮ মিনিট। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে। এর পরপরই বেশ কয়েকটি পরাঘাত অনুভূত হয়।
রাজধানী জাকার্তায় এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র বার্টন সুয়ার পেলিতা পাঞ্জাইতান জানান, এ পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। নিহতদের একজন পুরুষ এবং অন্যজন নারী।
তিনি বলেন, আরও তথ্য যাচাই ও নিশ্চিত হওয়ার পর ভূমিকম্পে হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
ভূমিকম্পের পর ফ্লোরেস দ্বীপের কয়েকটি এলাকায় প্রায় তিন ফুট উচ্চতার সুনামি আঘাত হানে। উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়েছিল। আতঙ্কিত হয়ে অনেক মানুষ নিরাপদ উঁচু এলাকায় চলে যান। পরে সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা।
বিএমকেজির ভূমিকম্প ও সুনামি বিভাগের পরিচালক উইজায়ান্তো জাকার্তায় সাংবাদিকদের বলেন, সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা পর্যবেক্ষণ করা অব্যাহত থাকবে।
ভূমিকম্পের পর বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের ফ্লোরেস দ্বীপের মাউমেরে শহরের একটি বন্দরের ভিডিওও রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির অবস্থান যাচাই করে নিশ্চিত হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ভবনের কিছু অংশ ধসে পড়ছে। এ সময় লোকজন চিৎকার করতে করতে রাস্তায় ছুটে যাচ্ছেন।
স্থানীয় কমপাস টিভিতে প্রচারিত আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ইস্ট নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্দে এলাকার একটি হাসপাতাল থেকে রোগীদের বাইরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন