শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুন হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোবারক হোসেন মারা যান। তিনি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ধামতি ইউনিয়নের দক্ষিণখার এলাকার মৃত আবদুল মালেকের ছেলে।
স্বজনদের ভাষ্য, গত ২৫ জুলাই পেটের ব্যথা নিয়ে মোবারক হোসেনকে মুন হসপিটালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ২৮ জুলাই তার পিত্তথলীতে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরও পেটের ব্যথা না কমায় চিকিৎসকেরা জানান, তার অন্ত্রে প্যাঁচ লেগেছে। এরপর গত ১০ আগস্ট দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচার করা হয়।
দুইবার অস্ত্রোপচারের পর মোবারক হোসেনকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে কেবিনে স্থানান্তরের পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় দায়িত্বে থাকা ডিউটি চিকিৎসক চলে যান বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তাদের দাবি, প্রথম অস্ত্রোপচারে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারে প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।
ধামতি ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইব্রাহিম খলিল বলেন, তার পরামর্শেই মোবারক হোসেনকে মুন হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছিল। ইমার্জেন্সিতে ভর্তির পর এক্স-রে ও সিভিসি পরীক্ষা করা হয়। রক্তে সংক্রমণ থাকার বিষয়টি জানার পরও অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইব্রাহিম খলিল আরও বলেন, ১০ দিনের মধ্যে দুইবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তার ধারণা, যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই মোবারকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মুন হসপিটালের সার্জন ডা. সোহেল। তিনি বলেন, প্রথমে রোগীর পিত্তথলীর অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। তখন খাদ্যনালীতে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। পরে রোগী আবার ব্যথার কথা জানালে ডা. আমিনুল ইসলাম পরীক্ষা করে খাদ্যনালীতে ইনফেকশন দেখতে পান। এরপর খাদ্যনালীতে অস্ত্রোপচার করা হয়।
নিহতের ছেলে সজিব বলেন, প্রথম অস্ত্রোপচারের পরও তার বাবার ব্যথা কমেনি। এরপর সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় না করেই দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা হয়েছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশীর বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুল চিকিৎসার কারণে রোগীর মৃত্যু হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: দেশ রূপান্তর

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুন হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোবারক হোসেন মারা যান। তিনি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ধামতি ইউনিয়নের দক্ষিণখার এলাকার মৃত আবদুল মালেকের ছেলে।
স্বজনদের ভাষ্য, গত ২৫ জুলাই পেটের ব্যথা নিয়ে মোবারক হোসেনকে মুন হসপিটালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ২৮ জুলাই তার পিত্তথলীতে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরও পেটের ব্যথা না কমায় চিকিৎসকেরা জানান, তার অন্ত্রে প্যাঁচ লেগেছে। এরপর গত ১০ আগস্ট দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচার করা হয়।
দুইবার অস্ত্রোপচারের পর মোবারক হোসেনকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে কেবিনে স্থানান্তরের পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় দায়িত্বে থাকা ডিউটি চিকিৎসক চলে যান বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তাদের দাবি, প্রথম অস্ত্রোপচারে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারে প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।
ধামতি ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইব্রাহিম খলিল বলেন, তার পরামর্শেই মোবারক হোসেনকে মুন হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছিল। ইমার্জেন্সিতে ভর্তির পর এক্স-রে ও সিভিসি পরীক্ষা করা হয়। রক্তে সংক্রমণ থাকার বিষয়টি জানার পরও অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইব্রাহিম খলিল আরও বলেন, ১০ দিনের মধ্যে দুইবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তার ধারণা, যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই মোবারকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মুন হসপিটালের সার্জন ডা. সোহেল। তিনি বলেন, প্রথমে রোগীর পিত্তথলীর অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। তখন খাদ্যনালীতে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। পরে রোগী আবার ব্যথার কথা জানালে ডা. আমিনুল ইসলাম পরীক্ষা করে খাদ্যনালীতে ইনফেকশন দেখতে পান। এরপর খাদ্যনালীতে অস্ত্রোপচার করা হয়।
নিহতের ছেলে সজিব বলেন, প্রথম অস্ত্রোপচারের পরও তার বাবার ব্যথা কমেনি। এরপর সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় না করেই দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা হয়েছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশীর বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুল চিকিৎসার কারণে রোগীর মৃত্যু হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: দেশ রূপান্তর

আপনার মতামত লিখুন