ঢাকা    রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জাতীয়

‘নিজের এলাকার জলাশয়ে স্বাবলম্বী হবে স্থানীয় তরুণরা’ — কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

‘নিজের এলাকার জলাশয়ে স্বাবলম্বী হবে স্থানীয় তরুণরা’ — কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী
‘নিজের এলাকার জলাশয়ে স্বাবলম্বী হবে স্থানীয় তরুণরা’ — কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও কর্মসংস্থানমুখী করার লক্ষ্যে একটি বড় উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশের পড়ে থাকা অব্যবহৃত পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও অন্যান্য জলাশয় সংস্কার করে স্থানীয় তরুণদের মধ্যে বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব জলাশয়ে সরকারি উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে এবং স্থানীয় তরুণদের সম্পৃক্ত করে মাছ চাষ পরিচালনা করা হবে।

​রোববার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে পুকুর, হাওর-বাঁওড়সহ বিভিন্ন জলাশয় কাজে লাগিয়ে কিংবা অল্প জমিতে মাছ চাষের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার বিশাল সুযোগ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক জলাশয় বর্তমানে অযত্নে পড়ে আছে। সরকার এগুলোকে সংস্কার করে মাছের পোনা ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

​তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, “যে এলাকার পুকুর, হাওর-বিল বা জলাশয় সংস্কার করা হবে, সেই এলাকার তরুণদের মধ্যেই এগুলো সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করা হবে, যাতে করে তাঁদের স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।” এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

​পুষ্টি চাহিদা ও অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের ভূমিকা

​প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৎস্য খাত কেবল দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। মাছ চাষ, আহরণ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে দেশের বহু মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধিতে এ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

​অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ১৪টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণপদক)’ তুলে দেওয়া হয়।

​উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও সম্মানীয় উপস্থিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,​মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ​সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রতিমন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ​মো.শরীফুল আলম, প্রতিমন্ত্রী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং সভাপতি, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি।

​মো. মাজহারুল ইসলাম, সংসদ সদস্য (কিশোরগঞ্জ-১) এবং সাধারণ সম্পাদক, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি।

​অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, সংসদ সদস্য (কিশোরগঞ্জ-২)।

​এছাড়া মৎস্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, মৎস্যচাষি, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সাধারণ জনগণ এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


‘নিজের এলাকার জলাশয়ে স্বাবলম্বী হবে স্থানীয় তরুণরা’ — কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশের মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও কর্মসংস্থানমুখী করার লক্ষ্যে একটি বড় উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দেশের পড়ে থাকা অব্যবহৃত পুকুর, হাওর-বাঁওড় ও অন্যান্য জলাশয় সংস্কার করে স্থানীয় তরুণদের মধ্যে বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব জলাশয়ে সরকারি উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে এবং স্থানীয় তরুণদের সম্পৃক্ত করে মাছ চাষ পরিচালনা করা হবে।


​রোববার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে পুকুর, হাওর-বাঁওড়সহ বিভিন্ন জলাশয় কাজে লাগিয়ে কিংবা অল্প জমিতে মাছ চাষের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার বিশাল সুযোগ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক জলাশয় বর্তমানে অযত্নে পড়ে আছে। সরকার এগুলোকে সংস্কার করে মাছের পোনা ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে।


​তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, “যে এলাকার পুকুর, হাওর-বিল বা জলাশয় সংস্কার করা হবে, সেই এলাকার তরুণদের মধ্যেই এগুলো সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করা হবে, যাতে করে তাঁদের স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।” এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


​পুষ্টি চাহিদা ও অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের ভূমিকা

​প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৎস্য খাত কেবল দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। মাছ চাষ, আহরণ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে দেশের বহু মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধিতে এ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


​অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ১৪টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণপদক)’ তুলে দেওয়া হয়।


​উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও সম্মানীয় উপস্থিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,​মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ​সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রতিমন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ​মো.শরীফুল আলম, প্রতিমন্ত্রী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং সভাপতি, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি।

​মো. মাজহারুল ইসলাম, সংসদ সদস্য (কিশোরগঞ্জ-১) এবং সাধারণ সম্পাদক, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি।

​অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, সংসদ সদস্য (কিশোরগঞ্জ-২)।


​এছাড়া মৎস্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, মৎস্যচাষি, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সাধারণ জনগণ এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
‘নিজের এলাকার জলাশয়ে স্বাবলম্বী হবে স্থানীয় তরুণরা’ — কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x