মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল জব্বারের দাবি, চলতি সপ্তাহে পাইকগাছা মাছ বাজারের বিভিন্ন আড়ৎ থেকে হারুনার রশিদ বিপুল পরিমাণ বাগদা চিংড়ি ও সাদা মাছ বাকিতে ক্রয় করেন। এসব মাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। মাছ নেওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আজিবার রহমান বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক লেনদেন ও আড়ৎ সংশ্লিষ্টতার সুযোগ নিয়ে হারুনার রশিদ বিভিন্ন আড়ৎ থেকে বাকিতে মাছ সংগ্রহ করেন। পরে পাওনা টাকা পরিশোধ না করে তিনি আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।
মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল জব্বার বলেন, “হারুনার রশিদ বিভিন্ন কাটা থেকে প্রায় ৪০ লাখ টাকার মাছ বাকিতে নিয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। বর্তমানে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে হারুনার রশিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা ও মাছ ক্রয়ের প্রকৃত পরিমাণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারী মার্কেটটি এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাছের বাজার। ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদনে মৎস্য আড়ৎদারী সমিতির তৎকালীন ক্যাশিয়ার হারুন অর রশিদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছিল, এ আড়তে প্রতিদিন গড়ে অর্ধকোটিরও বেশি টাকার মাছ ও চিংড়ি বেচাকেনা হয়।
এদিকে, প্রায় ৪০ লাখ টাকার মাছ বাকিতে ক্রয় ও আত্মগোপনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে এবং প্রকৃত ঘটনা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল জব্বারের দাবি, চলতি সপ্তাহে পাইকগাছা মাছ বাজারের বিভিন্ন আড়ৎ থেকে হারুনার রশিদ বিপুল পরিমাণ বাগদা চিংড়ি ও সাদা মাছ বাকিতে ক্রয় করেন। এসব মাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। মাছ নেওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আজিবার রহমান বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক লেনদেন ও আড়ৎ সংশ্লিষ্টতার সুযোগ নিয়ে হারুনার রশিদ বিভিন্ন আড়ৎ থেকে বাকিতে মাছ সংগ্রহ করেন। পরে পাওনা টাকা পরিশোধ না করে তিনি আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।
মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল জব্বার বলেন, “হারুনার রশিদ বিভিন্ন কাটা থেকে প্রায় ৪০ লাখ টাকার মাছ বাকিতে নিয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। বর্তমানে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে হারুনার রশিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা ও মাছ ক্রয়ের প্রকৃত পরিমাণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, পাইকগাছা মৎস্য আড়ৎদারী মার্কেটটি এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাছের বাজার। ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদনে মৎস্য আড়ৎদারী সমিতির তৎকালীন ক্যাশিয়ার হারুন অর রশিদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছিল, এ আড়তে প্রতিদিন গড়ে অর্ধকোটিরও বেশি টাকার মাছ ও চিংড়ি বেচাকেনা হয়।
এদিকে, প্রায় ৪০ লাখ টাকার মাছ বাকিতে ক্রয় ও আত্মগোপনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে এবং প্রকৃত ঘটনা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন