স্থানীয় সময় সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজের সাংবাদিক ট্রে ইংস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ওমান পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে আমরা তাদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালাব।’
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমান ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনার প্রসঙ্গেই তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরান ও ওমানের কর্মকর্তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ভবিষ্যতে জাহাজ চলাচলের নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা করছেন। সোমবার তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশ একটি যৌথ ঘোষণাপত্র তৈরির কাজ করছে।
তবে ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা উচিত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ইরান কার্যত প্রণালিটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং সেখানে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
গত শুক্রবার ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তিনি চাইলে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন। এর জবাবে ইরান জানায়, তাদের অবরোধ করা গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ ‘ইরানেরই থাকবে’।
ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন চাপ মোকাবিলার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে তেহরান তার সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস এবং পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করছে। হরমুজ প্রণালির উত্তরে ইরানের উপকূল এবং দক্ষিণে ওমান অবস্থিত।
এদিকে ট্রাম্প ইরানকে ‘সাদা পতাকা উড়িয়ে আত্মসমর্পণ’ করার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও ট্রে ইংস্ট তার এক্স পোস্টে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধবিরোধী জনমত বাড়লেও দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে তাড়াহুড়ো নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রভাবও গুরুত্ব পাচ্ছে। ওই নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকানদের কাছ থেকে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।
তথ্যসূত্র: দ্য ডন

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয় সময় সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজের সাংবাদিক ট্রে ইংস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ওমান পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে আমরা তাদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালাব।’
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমান ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনার প্রসঙ্গেই তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরান ও ওমানের কর্মকর্তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ভবিষ্যতে জাহাজ চলাচলের নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা করছেন। সোমবার তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশ একটি যৌথ ঘোষণাপত্র তৈরির কাজ করছে।
তবে ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা উচিত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ইরান কার্যত প্রণালিটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং সেখানে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
গত শুক্রবার ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তিনি চাইলে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন। এর জবাবে ইরান জানায়, তাদের অবরোধ করা গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ ‘ইরানেরই থাকবে’।
ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন চাপ মোকাবিলার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে তেহরান তার সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস এবং পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করছে। হরমুজ প্রণালির উত্তরে ইরানের উপকূল এবং দক্ষিণে ওমান অবস্থিত।
এদিকে ট্রাম্প ইরানকে ‘সাদা পতাকা উড়িয়ে আত্মসমর্পণ’ করার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও ট্রে ইংস্ট তার এক্স পোস্টে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধবিরোধী জনমত বাড়লেও দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে তাড়াহুড়ো নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রভাবও গুরুত্ব পাচ্ছে। ওই নির্বাচনে ট্রাম্পের রিপাবলিকানদের কাছ থেকে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।
তথ্যসূত্র: দ্য ডন

আপনার মতামত লিখুন