মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কয়েক দফায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব এবং মৌলিক অধিকার নিয়ে বিভিন্ন উদ্বেগ থাকায় বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান তীব্র সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের সামরিক দমন-পীড়নসহ বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে সমুদ্রপথে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।
সূত্র: স্টার নিউজ

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে এই স্বীকৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কয়েক দফায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব এবং মৌলিক অধিকার নিয়ে বিভিন্ন উদ্বেগ থাকায় বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান তীব্র সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের সামরিক দমন-পীড়নসহ বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে সমুদ্রপথে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।
সূত্র: স্টার নিউজ

আপনার মতামত লিখুন