মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আমিরে মজলিসের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই কমিটি’র সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মামুনুল হক বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করতে সৎ, যোগ্য এবং জনকল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তিদের নির্বাচনে এগিয়ে আসতে হবে। ইসলামপন্থীরা নীরব থাকলে এবং সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ না নিলে অসৎ ও দুর্নীতিবাজদের জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথ তৈরি হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অর্থের প্রভাব ও প্রভাবশালী মহলের আধিপত্য কমাতে নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশনের উদাসীনতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে অনেক সময় প্রকৃত জনদরদি, সৎ ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় যথাযথভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার সুযোগ পান না। এটিকে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে শুধু নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার ওপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না বলে মন্তব্য করেন খেলাফত মজলিসের আমির। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল ও ইসলামপন্থি সংগঠনগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে তৃণমূল পর্যায় থেকেই সাংগঠনিকভাবে কাজ করতে হবে।
মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা যদি নীরব থাকি, কোনো সৎ মানুষ যদি সামনে না আসেন, তাহলে একজন কমিশনখোর চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগ পাবে। একজন সৎ মানুষ এগিয়ে না এলে একজন দুর্নীতিবাজ পৌর মেয়র নির্বাচিত হতে পারেন। একজন চাঁদাবাজও সিটি মেয়র হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। তাই জনগণের কল্যাণ ও দেশের স্বার্থে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে।’
তিনি দলের তৃণমূল পর্যায় থেকে ব্যাপকভাবে যোগ্য প্রার্থী বাছাই এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানো, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব মাওলানা হাসান জুনাইদের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন হোসেন মিয়াজী এবং মাওলানা মুফতি শরাফত হোসেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা মহসিনুল হাসান, মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ হাদী, মাওলানা আবু সাঈদ নোমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বাইতুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশিদ এবং অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিনসহ নির্বাচন পরিচালনা ও প্রার্থী বাছাই কমিটির সদস্যরা।
এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস এবং খেলাফত ছাত্র মজলিসের নেতারাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আমিরে মজলিসের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই কমিটি’র সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মামুনুল হক বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করতে সৎ, যোগ্য এবং জনকল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তিদের নির্বাচনে এগিয়ে আসতে হবে। ইসলামপন্থীরা নীরব থাকলে এবং সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ না নিলে অসৎ ও দুর্নীতিবাজদের জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথ তৈরি হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অর্থের প্রভাব ও প্রভাবশালী মহলের আধিপত্য কমাতে নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশনের উদাসীনতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে অনেক সময় প্রকৃত জনদরদি, সৎ ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় যথাযথভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার সুযোগ পান না। এটিকে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে শুধু নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার ওপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না বলে মন্তব্য করেন খেলাফত মজলিসের আমির। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল ও ইসলামপন্থি সংগঠনগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে তৃণমূল পর্যায় থেকেই সাংগঠনিকভাবে কাজ করতে হবে।
মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা যদি নীরব থাকি, কোনো সৎ মানুষ যদি সামনে না আসেন, তাহলে একজন কমিশনখোর চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগ পাবে। একজন সৎ মানুষ এগিয়ে না এলে একজন দুর্নীতিবাজ পৌর মেয়র নির্বাচিত হতে পারেন। একজন চাঁদাবাজও সিটি মেয়র হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। তাই জনগণের কল্যাণ ও দেশের স্বার্থে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে।’
তিনি দলের তৃণমূল পর্যায় থেকে ব্যাপকভাবে যোগ্য প্রার্থী বাছাই এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানো, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব মাওলানা হাসান জুনাইদের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন হোসেন মিয়াজী এবং মাওলানা মুফতি শরাফত হোসেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা মহসিনুল হাসান, মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ হাদী, মাওলানা আবু সাঈদ নোমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বাইতুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশিদ এবং অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিনসহ নির্বাচন পরিচালনা ও প্রার্থী বাছাই কমিটির সদস্যরা।
এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস এবং খেলাফত ছাত্র মজলিসের নেতারাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন